পাতা:বাঙ্গালীর গান - দুর্গাদাস লাহিড়ী.pdf/৫৪৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


84ર বাঙ্গালীর গান তুমি হে প্রেম-আধার, প্রেম করই বিস্তার, পরজ—অtড়া চরমে হবে নিস্তার, এজষ্ঠ বিপদ । কেমনে পাইব সে আলোক । বত রাগ কতবে, অহঙ্কার অশেষ, যে আলোকে পরিত্রাণ হয় ইহলোক ॥ পাপের দারুণ কেশ, বাড়ায় সম্পদ ॥ যে আলোকে লয়ে যায়, দেয় সত্য প্রেমালয়, বিপদ ঔষধি ধন, মন কর সংশোধন, সে আলয়ে বিরাজে যতেক পুণ্যশ্লোক। করিয়া পাপ নিধন, দেয় নিরাপদ । কিন্নর অপর নান, সিদ্ধ সাধু অগণনা, তুমি হে মঙ্গলায়ন, এ পামরে কর ত্রাণ, . মুখরসে ভাসে সদা নাহি দুঃখশোক । বিপদে সম্পদে যেন ভাবি ঐ পদ ॥ সবাকার এই চিত, কিসে হবে পর-হিত, dms { } প্রেমবিগলিত হয়ে ভ্রমে ঐ লোক ॥ : ঝিঝিট-আড়া। হলে প্রেমের প্লাবন, করে তারা দরশন, কে গো রোদন করে। নিষ্কল নিৰ্ম্মল ব্ৰহ্ম আলোক আলোক । সকঙ্কণ করে মারে মস্তক-উপরে ॥ যদি চাহ সে আলোক, ভাব সদা পরলোক, একাকিনী চন্দ্ৰাননী, উন্মাদিনী পাগলিনী, কি হইবে ভাবিলে কেবল ইংলোক ॥ এ ধ্বনি করে কে ধনী, পরাণ শিহরে ॥ Wo-ams I সিন্দুর অঞ্জন মিশি, মেঘে তড়িতের হাসি, १"शोंड- -भ६rमम । ধারা বহে পড়ি খসি, নয়নের নীরে । আর কেন হও বিমোহিত, মদে পতিত । এলোকেণী এলোমনা, বিগত ধৈৰ্য্য-বন্ধনা, কাল কাল না দেখিবে কর যা উচিত ॥ শোকেতে হয়ে উন্মন, মগমা কাতরে ॥ মুখেতে বল ঈশ্বর, যদিও এ শুভকর, জিজ্ঞাসিলে রাম কহে, পতি-শোকে হুদি দহে, কেবল এই রবে, না হইবে রক্ষিত ॥ কেন শ্বাস আর বহে, এ মিথ্যা শরীরে। কি করিবে দারা পুত্র, চিত্তকৰ্ম্ম মূলস্থত্র, পতি মোর প্রাণধন, বৃথা মোর এ জীবন, চিত্তের সরল গুণে তরিবে মিশ্চিত । মরিলে বঁাচে জীবন, এ. শোকসাগরে ৷ অকপট ভক্তি কর, ত্যজ বাহ্য আড়ম্বর, স্থির হও গুণবতি, পিতা পুত্র ভাই পতি, ইহাতে র্তাহার প্রীত, এই হে বিহিত ॥ ব্ৰহ্মাণ্ডের তিনি পতি, ভাব হে তাহারে। mammijlm : জগৎপত্তি করি পতি, হুর স্বীয় দুৰ্গতি, ললিত্ত—আড়া । পুনৰ্ব্বার পাবে পতি, গেলে লোকাস্তরে ॥ কর স্তব নর সব কর র্তার সংকীৰ্ত্তন । , விய க সেই নামে পরিণামে জুড়াইবে এ জীবন। cवक्षां★-टॉफ़1 | সমীরণ মন্দ মন্দ, বহে হয়ে সানন্দ, দেখি ঘোর অন্ধকার । বিকসিত পুষ্পগন্ধ, করে বিতরণ। তরজে গরজে তম মেঘ বারম্বার | বন-উপবম শোভা, মিলিত অরুণ আতা, পাপ প্রচণ্ড পবন, ছিন্ন ভিন্ন করে মম, কি আশ্চৰ্য্য মনলোভ, নয়ন-রঞ্জন । মত্ততাতড়িতে বাড়ে কুমতি-বিকার। ডাকে মান পক্ষিগণ, কত স্বর আলাপম, অহঙ্কার রজ্রশবা, নম্রতা হইছে স্তব্ধ, যোগীর ধ্যান ভঞ্জন, শ্রবণ-মোহন ॥ * শিহরে শুদ্ধতা ভয়ে হইয়া আসার ॥ আকাশের রম্য বৃষ্টি, প্রেমে পুলকিত স্বষ্টি, কত কুসঙ্গ-তরঙ্গ, উঠিছে যেন মাতঙ্গ, দেখি এত প্রেমে বৃষ্টি, স্থির কি কারণ। এ আতঙ্ক কবে ভজ ভরসা আমার । উঠ উঠ সব নর, করপুটে স্তব কর, পিনের নাহি পার, কেমনে হইব পার, সেবিলে সে বিশ্বাধার, সুখেতে মরণ ॥ ভূেষারগুপা অপার তুমি কর্ণধার। - -