পাতা:বাঙ্গালীর গান - দুর্গাদাস লাহিড়ী.pdf/৫৪৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


মহারাজ সাকার সাধকে তুমি সে সাকার, নিরাকার উপাসকে নিরাকার, কেহ কেহ কয়, ব্রহ্মজ্যোতিৰ্ম্ময়, সেই তুমি নগতনয় জননী। যে অবধি যার অভিসন্ধি হয়, সে অবধি সে পরম ব্রহ্ম কয়, তংপরে তুী, অনিৰ্ব্বচনীয় সকলি মা তারা ত্রিলোকব্যাপিনী ॥ ঝিঝিট—কাওয়ালী। এলোকেণী এলো কে রণে ক’লবরণে। ত্ৰিলোক অলো করে, দে রূপের কিরণে ॥ অপরূপ মনোলোভা, রণস্থল করেছে শোভ, হেরিলে সে রূপের আভা, প্রভা বয় গো নয়নে। দ্বিজ শিবচন্দ্র বলে, যে হেরিনু রণস্থলে, পতি তে| পতিত পায়, শবরূপে চরণে ॥ মুলতান—আড়াঠেকা । মদনমথন-মনোহারিণী । অতসী কুসুম সম মুবর্ণবরণী ॥ চতুৰ্দ্দন্ত চারি শ্বেত, করি করে বেষ্টিত, রতনঘটে অমৃত, অভিষেকে শিবানী ৷ শোভে চারি করবরে, পদুদ্বয় অভয় করে, পাদপদ্মপদ্মোপরে, পদ্মসদ্ম-বিহারিণী। শিবহৃদি-পদ্মাসনে, মহালক্ষ্মীনাথ সনে, হলে যুগ্ম দর্শনে, জন্ম-ঋণে হৈ অঞ্চণী ॥ বাহার—য২ } ভুবনেশী মার রূপে নাহিক ভুবনে সীমা। রক্তবর্ণপদ্মাসন, ত্ৰিলোচনী সুভূষণ, প্রভাকর উত্তমাঙ্গে, অৰ্দ্ধভাগ চন্দ্ৰম ॥ পাশাঙ্কুশ বরাভয়, চারি করেতে শোভয়, অলঙ্কার মণিময়, নাহি তার উপমা । মুহাবিদ্যা আরধিতে সদাশিব সমাধিতে, করতলে ইষ্টসিদ্ধি, অষ্ট সিদ্ধি অণিমা ॥ ¢7*-८?ोंशु | ক্তকর মুক্তকেশী মুখ তুলে চেয়ে এবার। আমার আশার অন্তকর মা জন্ম আশীলঙ্কবার। কৃষ্ণচন্দ্র । ste জন্মে জন্মে জন্ম যত, জানত মা কষ্ট কত, বিশেষত মানব দেহে যন্ত্রণ যে সন্ন না আর ॥ হয়েচে নরের দেহ, মনোভীঃ সিদ্ধি দেহ, নাম বলে নিঃসন্দেহ হবেনাকে জন্ম আর । বিচরিয়ে রাগদ্বেষ, আছে গুরু-উপদেশ, শিবের যে এই আদেশ, তন্ত্ৰে শুনি বারংবার ॥ ঝিলিট—যং । এ নারী কে নারি চিনিতে, কার বনিতে। শিরশ্ছেদ স্বয়ং করি, ছিন্নমস্ত ভয়ঙ্করী, রক্তবর্ণ নগনা মগন শোণিতে ॥ পদ্মমধ্যে কণিকার, কিবা সাধ্য বর্ণিবার, তিন গুণে শোভিত ত্রিকোণ যোনিতে। কণ্ঠেথিত রুধির ত্ৰিধার, তার এক ধারা, ধরে কি মাধুরী জানিতে ॥ আরোহণ শবোপর, রুধির পানে তৎপর, দুই ধার পিয়ে পাশে দ্বিযোগিনীতে। বিপরীত রাত সহ রতি রতিপতি, তদুপরি মুদ্ৰতি কুপাং পাণিতে ;– ছিন্নমুণ্ড করতলে, অস্থিমুণ্ডমালা গলে সুশোভিত যজ্ঞোপবীত ফণীতে আধ কলা চন্দ্রননে, কি শোভিত কলানাথ, ফলিত কপাল মালে দিনমণিতে ;– তন্ত্ৰে তুমি স্বতঃসিদ্ধি, শিবে দে মা ইষ্টসিদ্ধি, অস্তে যেন যায় প্রাণ সুরধুনীতে ৷ পূরবী—আড়াঠেকা । জয় গণেশজননী, সৰ্ব্বসিদ্ধিপ্রদায়িনী। শঙ্করবাঞ্ছিতপদ, জয় অধমতারিণী ॥ পতিত পাবনী তারা, শোক-তাপ-দুঃখ-হর, মহেশ হয়ে ধরা, অভয় চরণ খানি। ভবানী ভবের ধ্যান, জননী জীব জীবন, কল্পতরু শ্রীচরণ হরমনোমোহিনী ॥ তরিতে মা ভবার্ণব, তাঁর শ্ৰীচরণ তব, অনিত্য জেনেছি সব, তুমি সত্য সনাতনী। ত্রিনয়নী তারা শিবে, কবে কলুষ মশিবে, দীনে দঃ প্রকাশিবে, দেখা দিবে নিস্তারিণি ॥ |