পাতা:বাঙ্গালীর গান - দুর্গাদাস লাহিড়ী.pdf/৭০৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


द्रौठ्मार्थ ठाकूछ। রবীন্দ্রনাথ, মহাত্মা দেবেঙ্গমাথ ঠাকুরের কনিষ্ঠ পুত্র। ১২৪৮ সালের ২৫ এ বৈশাখ কলিকাতা ষোড়াসাঙ্কোর বাড়ীতে রবীন্দ্রনাথের জন্ম হয়। অতি শৈশবেই রবীন্দ্রনাথের মুতীক্ষ বুদ্ধি ও অসধারণ মেধাশক্তির পরিচয় পাওয়া যায়। পঞ্চম বর্ষের শিশু রবীন্দ্রনাথ, মুর করিয়া “রামায়ণ’ ও ‘মহাভারত পাঠে শ্ৰোতৃবর্গকে চমৎকৃত করিতেন । বিদ্যাশিক্ষার জন্য রবীন্দ্রনাথ প্রথমে লৰ্ম্মাল স্থলে প্ররিত হন। সেই সময় নবম বর্ষের বালক রবীন্দ্র নাথের রচিত কবিতা পাঠ করিয়া শিক্ষকগণ কবিতা রচনায় উাহাকে বিশেষ উৎসাহ দিতেন। নৰ্ম্মাল স্কুলের পাঠ সমাপণ করিয়া, রবীন্দ্রনাথ পিতার সহিত প্রথমে বোলপুরে, পরে ডালহাউসী পাহাড়ে কিছুদিন অবস্থিতি করেন। সেই সময় রবীন্দ্রনাথ পিতার নিকট সংস্কৃত ব্যাকরণ ও জ্যোতিষ শিক্ষা করিতেন। ইহার পর জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা সত্যেন্ত্রনাথের কৰ্ম্মস্থান আহমেদাবাদে গিয়া কিছুদিন বাস করেন ; সেই খানে জোষ্ঠের নিকট ইনি ইংরাজী শিক্ষা করিতেন। বঙ্গ সাহিত্যের প্রতি বালাকাল হইতেই রবীন্দ্র নাথের প্রবল অনুরাগ লক্ষিত হয়। ষোড়শ বর্ষ বয়ঃক্রম কালে “ভারতী” পত্রিকার নিয়মিত লেখকমধ্যে ইনি গণ্য হন। রবীন্দ্রনাথ দুইবার বিলাত্ত গিয়াছিলেন। বিলাতে গিয়াও বঙ্গ সাহিত্য চর্চায় বিরত ছিলেন মা ; তাহার ইউরোপ প্রবাসীর পঞ্জ” পুস্তক এই সময় রচিত হয়। "বে ঠাকুরাণীর হাটু” “চোখের বালি” “নৌকা ডুবি” প্রভৃতি উপন্যাস রাজা ও রাণী" প্রভৃতি নাটক এবং বহু সঙ্গীত ও কবিতায় ইনি কৃতিত্বের পরাকাষ্ঠী দেখাইয়াছেন ইহার লেখনীপ্রস্থত অমূল্য রত্বরাজিতে আজি সাহিত্য ভাণ্ডার উজ্জ্বলীকৃত। i মিশ্র-কানাড়—কাওয়ালী | ওগো মনের মত সেই ত হবে, আমার পরাণ যাহা চায়, তুমি শুভক্ষণে বাহার পানে চাও। তুমি তাই, তুমি তাই গো। তোমার আপনার যে জনু দেখিলে না তারে, , তোমা ছাড়া আর এ জগতে মোর, তুমি যাবে কার দ্বারে,যারে চাবে তারে পাবে না, কেহ নাই কিছু নাই গো। যে মন তোমার আছে বাবে তাও । তুমি মুখ যদি নাহি পাও, εμ Ριωμημωφ যাও মুখের সন্ধানে যাও, মিশ্ৰ-ভূপালী-একতাল। আমি তোমারে পেয়েছি হৃদয় মাঝে সখি, বহে গেল বেলা, শুধু হাসি খেলা, আর কিছু নাহি 5ाशे গো। একি আর ভাল লাগে । আমি তোমার বিরহে রহিব বিলীন, আকুল তিয়াস প্রেমের পিয়াস তোমাতে করিব বাস ; প্রাণে কেন নাহি জাগে। দীর্ঘ দিবস, দীর্ঘ রজনী, দাৰ্থ বয়স মাদ; করে আর হবে থাকিতে জীবন, যদি আর কারে ভালবাস, আঁখিতে আঁখিতে মদির মিলন, যদি আর ফিরে নাহি আস, মধুর হুতাশে মধুর দহন তবে তুমি ধাই৷ চাও, তাই যেন পাও, নিত-নব অনুরাগে । আমি যত দুখ পাই গে৷ তরল কোমল ময়ূনের জল নয়নে উঠিবে ভাসি; | সে বিবাদ-নীরে নিবে বাবে ধরে, कांकि-cषम्प्ले । এখর চপল হাসি; কাছে আছে দেখিতে না পাও। উদাস নিশ্বাস আকুলি উঠিবে, তুমি কাহার সানে দূরে বাও । আশা নিরাশায় পরাণ টুটিবে, মনে মত করে খুঁজে ময়, মধুমের আলো কপোলে ফুটিৰে, লম্বিন্ধে লেঙ্কেৰে মন, गइन-चक्र+बेहन॥