পাতা:বাঙ্গালীর গান - দুর্গাদাস লাহিড়ী.pdf/৮০৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


তখন ধরণী কয়, কি রূপ ফাটি, গলিত তোমার নয়ণ জলে। | • 2ज्राश्रम्नऊ भङ्बोच्न। নববিধান ব্রাহ্ম-সমাজের নেতৃস্থানীয় প্রতাপচন্দ্র জুমদার ১২৪৭ সালে হগলী জেলার বঁাশবেড়িয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন । ইনি নবম বৎসর রিসে পিতৃহীন এবং উনবিংশ বৎসরে মাতৃহীন হন । গরিফা ইহঁাদের পৈত্রিক আবাস। প্রথমে হুগলী কলেজে, পরে হেয়ার স্কুলে ও প্রেসিডেন্সি কলেজে ইনি অধ্যয়ন করেন। বাল্যকাল হইতেই কেশবচন্ত্র সেনের সহিত ই হার বন্ধুত্ব ছিল। সেই সুত্রে ১২৬৬ সালে ইনি ব্রাহ্মসমাজে প্রবেশ করেম। কেশবচন্দ্ৰ যেদিন ব্ৰহ্মসমাজের আচাৰ্য্যপদে ররিত হন, সেই দিন ইনি আপন স্ত্রীকে সমাজে লইয়া যাওয়ায়, ইহার আত্মীয়গণ ইহঁার সঙ্গে সম্বন্ধবন্ধন ছিন্ন করেন। কিছুদিন ‘বেঙ্গল বেন্ধে’, কেরাণীগিরি করার পর, ১২৭৭ সালে ইনি "ইণ্ডিয়ান মিরর পত্রের সম্পাদক নিযুক্ত হন। ১২৮১ সালে ইংলণ্ডে এবং ১২৮৭ সালে ইনি আমেরিকায় গমন করেন। ইংরাজী ভাষায় ইহার অসাধারণ অধিকার ছিল। ইহঁার বক্তৃতায় ইংরাজ সমাজও মুগ্ধ হইত। ইংরাজীতে ইহার অনেক গ্রন্থ আছে। বাঙ্গালায়ও ইনি তিন ধানি পুস্তক লিখিয়া গিয়াছেন। ১৩১২ সালের ১৩ই জ্যৈষ্ঠ শনিবার অপরাহ আড়াই ঘটিকার সময় প্রভাপচঞ্জের লোকান্তর হইয়াছে। ললিত্ত—আড়া । কত আর নিদ্রা যাও ভারত-সন্ততিগণ। নয়ন খুলিয়া দেখ শুভ উষা আগমন ॥ অধীনতা অন্ধকার,পাপ তাপ তুর্নিবার, মঙ্গল জলধি জলে হতেছে চিরমগন । সযতনে ধীরে ধীরে, প্রাতঃ সমীরণ স্বরে, ডাকেন ভারতমাত পরি উজ্জ্বল বসন । । উঠ বৎস প্রাণসম, মৃতপুৰ কঙ্কা মম, , কালরাত্রি অকাদেউলি মুখতগন।

*.*

| ۹۹ নর নারী সমুয়ে, এক পরিবার হয়ে, গলবন্ত্রে পূঞ্জ স্তরে র্যাহাতে পেলে এদিন । স্বাউলের—মুর একত্তাল । কে আমায় ডাক বিদেশী সাধু, মধুর ভাসে, যেতে স্বদেশে। আমার ধন মান পরিজন কাজ নাই গৃহবাসে। আমি অভাগ দীন পরাধীন, আছি রেগে শোকে পাপে তাপে পিতামাত-হীন কবে যাবে জ্বাল, প্রাণ জুড়াবে হৃদয় পেয়ে প্রাণেশে । আর কত দিন এই আঁধারে পড়ে, থাকব বিদেশেতে একাকী সেই মায়ের কোল ছেড়ে, আর ফিরা'ব না পাষাণ মনে জননীরে নিরাশে। এবার পাইলে সেই হারাণ রতন, রাখব মনের সাধে হৃদে গেঁথে করিয়ে যতন যাবে জন্মদুখীর সকল দুখ প্রেম-বারি পরশে ॥ } কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার। । খুলনা জেলার সেনহাটা গ্রামে ১২৪২ সালে বৈদ্যবংশে কৃষ্ণচন্দ্র জন্মগ্রহণ করেন। ইহঁার পিতার নাম v মাণিকচন্ত্র মজুমদার। ছয় মাস বয়সে, ইহার পিতৃবিয়োগ হয়। ইহার পিতার মাতামহ বরিশাল-কীৰ্বিপাশার জমীদার রাজারাম সেন কিছু কিছু সাহায্য করিতেন ; তাছাতেই কুষ্ট্রে স্বষ্ট্রে সংসার চলিত। দশ বার বৎসর বয়সের সময় গ্রাম্য পুৰোহিঙের নিকট ইনি কলাপ ব্যাকরণ" পাঠ করেন। সত্তের আঠার বৎসর বয়সের সময় পাশী ভাষা শিক্ষা করেন। সেই সময়ে প্রভাকর" পত্রে কবিতা লিখিতেন, এবং ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ॐांश८क विट्झांश ऐंठ९नांश् नेिटङम । ७कूनं द९महबग्ने সময়ে পণ্ডিতগিরি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হইয়া ১৫ টাকা বেতনে ইনি ঢাকা জেলার এক “সার্কেল পাণ্ডতের” পদ প্রাপ্ত হন। তাহার পর ২৫ টাকা বেতনে “ঢাক্ষাপ্রকাশ" পত্রেশসম্পাদক নিযুক্ত হন। শেষ, ১২১৮ সালে, শোহর জেলাস্কুলে হেডপওতের गटन डैदिांब 8०९ छैोका ?ईाख cषडन दर्देब्रॉाइन { “नखांदभखक" श्-कृशश्वत्र चक्षा । वाच्यः । stutai stuts ab ri-Ts-steti i tigas