পাতা:বিশ্বকোষ ত্রয়োদশ খণ্ড.djvu/৫৪৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

ভেষজ [ লেবলীয়। চরকাদিতে ঔষধলেবনের এটা সময় নির্দিষ্ট হইয়াছে, ৰথী-হুৰ্য্যোয়কাল, দিৰাভোজনের পূর্ব ও পর, সাংকালীন আহারের পর, মুহমুহ এবং রাত্রিকাল । প্রথমকাল—পিত্ত্ব ও কফের প্রাবল্যে এবং বিরেচন বমন ও কর্ষণের নিমিত্ত প্রাতঃসময়ে অল্পভোজনের পূৰ্ব্বে ঔষধ সেবনীয়। দ্বিতীয়কাল - অপান বায়ু কুপিত হইলে ভোজনের পূৰ্ব্বে ঔষধ প্রয়োগ করা প্রশস্ত। অরুচিরোগে নানাবিধ মনোহর ও রুচিকারক দ্রব্যমিশ্রিত ভক্ষ্যদ্রব্যের সহিত ঔষধপ্রয়োগ হিতকর। সমান বায়ুর গ্রকোপে ও মনাগ্নিতে ভোজনের মধ্যে অগ্নিপ্রদীপক ঔষধ বিশেষ উপকারঞ্জনক। ব্যান বায়ুর প্রকোপে ভোজনের পরে ঔষধ সেবন বিধেয়। ছিক্কা, আক্ষেপ ও কম্প উপস্থিত হইলে ভোজনের পূর্কে ও পরে ঔষধ সেবন कब्ल| सृष्ट्रेिष्ठ श्रृंi:ख्न । তৃতীয়কাল—স্বরভঙ্গ প্রভৃতি রোগজনক উদান বায়ু কুপিত হইলে সায়ংকালে ভোজনের প্রতি গ্রাসের মধ্যে ঔষধ ব্যবহার হিতকর, প্রাণবায়ু দূষিত হইলে হিতকর ভোজনের পর ঔষধ সেবন করিতে হইবে। চতুৰ্থকাণ—তৃষ্ণা, বমি, হিকা ও শ্বাসয়োগ এবং গরদোষে ময়ের সহিত মুহুমুহু: ঔষধ সেবন করাইতে হয়। - পঞ্চমকাল—লেখনক্রিয়া, বৃংহণ, এবং পচনে রাত্রিতে I { من 8 c অন্নভোজন না করাইয়া ঔষধ প্রয়োগ করিতে হইবে । অন্ন মাহারের পুৰ্ব্বে ঔষধ সেবন করাইলে ঔষধের বীর্য্য প্রবল । হয়, সুতরাং শীঘ্রই রোগ নষ্ট হইয়া থাকে। কিন্তু বালক, বৃদ্ধ, যুবতী, স্ত্রী ও কোমলশরীরবিশিষ্ট ব্যক্তিকে আহারের পুঞ্চে ঔষধ সেবন করাইবে না, যে হেতু তাছা হইলে শরীরের | মানিবোধ ও বলহ্বাস হয় । অন্নের সহিত ঔষধ সেবন করিলে তাহ৷ শত্র পরিপাক হয়, ঔষধ সেবন করিয়া তাহা পরিপাক না হইতে ভোজন করিলে এবং ভূক্ত দ্রব্য পরিপাক ন হইতে ঔষধ সেবন করিলে ব্যাধির উপশম হয় না, বরং । জন্তান্ত রোগ উৎপাদন করে। ঔষধ পরিপাক হইলে বায়ুর | মমুলোম, শরীরের স্বস্থতা, ক্ষুধা ও তৃষ্ণার উদ্রেক, মনের | প্রফুল্পত, শরীরের লঘুজ, ইঞ্জিয়ের প্রসন্নত। এবং উদগার গুদ্ধি হয় । ঔষধ পরিপাক ন হইলে ক্লাস্তি, দাহ, শরীরের অবসন্নত, ভ্রান্তি, মূহূৰ্ণ, শিরোরোগ, মানিবোধ এবং বলহ্লাস ছয়। ভক্ষণ-বিধি-দেবতা, গুরু এবং ব্রাহ্মণদিগকে প্রণাম ও আশীধৰ্ব্বাদ লইয়া ভক্তির সহিত ঔষধ সেবন করিবে। ঔষধ সেবনের পূৰ্ব্বে গুরুজন এই রূপ আশীৰ্ব্বাদ করিবেন, যে প্রকার ঋষিগণের পক্ষে রসায়ন, দেৰগণের পক্ষে অমৃত এবং নাগগণের ভেষজ হউক। ব্ৰহ্মা, দক্ষ, অশ্বিনীকুমার প্রভৃতি তোমাকে রোগ হইতে মুক্ত করুন। পরে রোগীকে প্রশান্তভাবে উপবেশন করিয়া আত্মীয় স্বজনের সমক্ষে ঔষধ সেবন করিতে হয়। স্বর্ণ, রৌপ্য অথবা মৃন্ময় পাত্রে ঔষধ সেবন কর্তব্য। (ভাবপ্র০ দ্বিতীয় ভt০ ) স্বশ্ৰতে লিখিত আছে—ঔষধ সংগ্ৰহ করিতে হইলে ভূমি ও উপযুক্ত কালাদির বিষয় দেখিতে হয়। [ ভূমি শব্দ দেখ ]] অষ্টাঙ্গাহৃদয়সংহিতায় ভেষজ-সংগ্রহের স্থান নির্দিষ্ট আছে— “ধন্বসাধারণে দেশে সমে সন্মত্তিকে গুচে । শ্মশানচৈত্যায়তনশ্বভ্রবঙ্গীকবর্জিতে ॥ মৃদে প্রদক্ষিণজলে কুশরোহিষসংস্কৃতে । অফালকৃষ্টেছনাক্রান্তে পাদপৈর্বলবত্তরৈঃ ॥ শস্ততে ভেষজং জাতং যুক্তং বর্ণরসাদিভিঃ। জন্তু জঙ্কং দবাদগ্ধমবিদগ্ধং চ বৈ কুক্তৈ: ॥ ভূতৈচ্ছায়াতপাং বান্তৈর্যথাকালং চ সেবিতং। অবগাঢ়মহামুলমুদচাং দিশমাশ্রিতম্ ॥” (অষ্টাঙ্গন্ধ ৫।৬১-৪) ওষধিস্থানবিশেষে ও যথাকালে সংগৃহীত হইলে ভিষণু পরিমাণ নিৰ্দ্দেশে তাহ বিভিন্ন ঔষধাদিতে প্রয়োগ করিবেন অথবা রোগের তারতম্যানুসারে রোগীকে সেবন করাইবেন। ঔষধসংগ্রহের কাল—ঔষধসংগ্ৰহ করিবার সময় উপযুক্ত কালের উপর দৃষ্টি রাখা আবশুক। প্রার্টুকালে মূল, বর্ষাকালে পত্র, শরৎকালে ত্বক, হেমন্তকালে ক্ষীর, বসন্তু কালে সার এবং গ্রীষ্মকালে ফলগ্রহণ করিবে। কিন্তু ইহা সৰ্ব্ববাদিসন্মত নহে। সৌম্য অর্থাৎ শীতল বা স্নিগ্ধ ঔষধ সকল সৌম্য কালে, বর্ষ শরৎ ও হেমস্ত কালকে সৌম্যকাল কছে। রুক্ষ বা তীব্র ঔষধ সকল আগ্নেয় ঋতুতে আহরণ করা বিধেয়। কারণ জাগতিক পদার্থ সকল সাধারণতঃ সৌম্য ও আগ্নেয় এই দুই ভাগে বিভক্ত। সৌম্য ঋতুতে ভূমির সৌম্যগুণ অধিক বৃদ্ধি হয়, স্বতরাং সেই সময়ে যে সকল সৌম্য ঔষধ তাহাতে উৎপন্ন হয়, সেই সৌম্যগুণবিশিষ্ট দ্রব্যই বিশেষ উপকারক, এইরূপ আগ্নেয় ঔষধ সম্বন্ধে জানিতে হইবে। গোপালক, তাপস, ব্যাধ, বনচারী বা মূলাহারিগণের নিকট দ্রব্যের অমুসন্ধান করা আবশ্যক। পত্র ও লবণ প্রভৃতি দ্রব্যের সকল অংশই গ্রহণ করা যাইতে পারে, এই সকল সংগ্রন্থের काणांकांग बिषांन नोहे । मधू, इठ, सफ, भिभूण ७ बिज़्त्र এইগুলি পুরাতন হইলেই প্রশস্ত, এতদ্ভিন্ন অপর সমস্ত দ্রব্যই নূতন হওয়া আবর্তক। সরল ঔষধমাত্রই বীৰ্য্যবান, এই জন্ম সরস দ্রব্য গ্রহণ করিতে হয় । সরস দ্রব্যের অভাবে সংবৎসর মধ্যে যে সকল প্ৰৰ্য সংগৃহীত হইয়াছে, তাহাই লইতে হইবে। পক্ষে স্বধ উপকারী, এই ঔষধ তোমার পক্ষে তদ্রুপ উপকারী | ঔষধগৃহ পবিত্র ও প্রশস্ত হওয়া আবশুক ।