পাতা:বিশ্বকোষ সপ্তদশ খণ্ড.djvu/৬৯৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

বসইদ্বীপ ' পুট সহচর লইয়া বসইদ্বীপেই কাল যাপন করেন, মুসলমান কাঙ্গিগণ ঐসময়ে বিদেশীয়দিগের উপর কিরূপ অত্যাচার করিত, তাঙ্গ ওদেরিক গ্লিপিবদ্ধ করিয়া গিয়াছেন । বিশপ জেরোনিমে | «config ( Jeronimo ozrio ) foifig folgttgz co সেই সকল ফ্রানসিন্ধান সাধুগণ করঞ্জৰীপে এক স্ববৃহৎ খৃষ্টমন্দির প্রতিষ্ঠা | করিয়াছিলেন । লেওনাদের্ণ পাএল ( Leonardo Pues ) | নামক খৃষ্ঠান লেখকের বর্ণনা হইতেও জানা যায় যে, করঞ্জরীপে নীল পাথরে গঠিত কুমারী মেরির একটি সুন্দরমূৰ্ত্তি ছিল, *t, *.gm stett« “Nossa Senhor da Pensa" fois, | পরে পর্তুগীজ অধিকারকালে করঞ্জীপ উক্ত পর্তুগীজ নামেই ; আপ্যাত হইয়াছিল । ১৫৩৯ খৃষ্টান্সে পর্তুগীজ বণিকগণ বসই উপকূলে দেখা দিলেন। ইগর ১৭শ বর্ষ পরে এখানে পর্তুগীজের বাণিজ্য কুঠীর পত্তন করিলেন । আর্ভে বধোলার বিবরণীতে প্রকাশ যে, তৎকালে বসষ্ট সহর গুজরাতের মুসলমান নৃপতির অধি- | কারভুক্ত একটি বাণিজ্যকেন্দ্র বলিয়া গণ্য ছিল। এখানে নানা ! দেশ বিদেশ হইতে জাহাজ লুসিয়া লাগিত। মলবার উপকূল । খইতে গদির, নারিকেল ও নানা প্রকার গরম মসলা এখানে । আমদাণী হইত । ১৫৩০ খৃষ্টাব্দে পর্তুগীজের বসইদ্বীপে নামিয়া ভ্রন্থান ও কল্যাণ আক্রমণ করিয়া কৰ আদায় করেন। তাহাতে গুর্জরপতি বfহাগুর শাহের সহিত তাহদেব বিবাদ বাধে । বাহাদুর শাহ নান। কারণে অসুবিধা দেখিয়া সন্ধি করিতে বাধ্য হন, তাছাতে পঞ্জীজের মুম্বই, মহিম, দ্বাউ, দমন, চেউল ও বসই লাভ করেন এবং দুর্গাদি নিন্মাণ এবং আরবসমুদ্রগত বাণিজ্যশুত্ব আদায়ের অধিকার পাইলেন । ১৫৩৬ খৃষ্টাব্দে মুনো-দা কুন্‌হ বসইদ্বীপের দক্ষিণাংশে একটি গুর্গ নিৰ্ম্মাণ কবিয়া ঠাহীর শ্যালক গাসিরা ডিসা’কে দুর্গের অধ্যক্ষ করিলেন । জোয়াওঁ ডি কাষ্ট্রোর মৃত্যুর পর উক্ত দুর্গাধ্যক্ষই ১৫৪৮ খৃষ্টাঙ্গে ভারতীয় পর্তুগীজ অধিকারের গবর্ণর হইয়াছিলেন । পর্তুগীজদিগের লিখিত বিবরণী হইতে জানা যায় যে বসই দুর্গ সুদৃঢ় প্রস্তরপ্রাচীরপরিবেষ্টিত, ১১টা উচ্চ বুরুজ শোভিত, তাহাতে ৯০টি কামান সংযোজিত ছিল। এছাড়। এই দ্বীপের মধ্যে আর যে সকল ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র গড় ছিল, তাহাতে ১২৭টি কামান খাকিত । এখানকার বন্দর রক্ষা করিবার জন্ত ২১টি কামানঋষ্ট। সমুদ্রপোত নিরত প্রস্তুত থাকিত, এক একখানি পোতে ১৬ হইতে ১৮ টা পৰ্য্যন্তু কামান লইত । { ৬৯৪ ] • दर्जाहेरौँ°


পর্তুগীজ অধিকারেও বসই বিশেষ সমৃদ্ধিশালী ও শ্রেষ্ঠ ধনী বণিকগণের আবাস বলিয়া গণ্য ছিল। তৎকালে এখানে যে সকল বিদেশী পৰ্য্যটক ও লেখক উপস্থিত হইয়াছিলেন, তাহদের বর্ণনায় জানিতে পারি যে এখানকার রাস্ত ঘাট প্রশস্ত, বিপণিতে অতু্যচ্চ অট্টালিকা, নগরের উপকণ্ঠে উৎকৃষ্ট আম, তাল, ইক্ষু প্রভৃতির বিস্তৃত উদ্যান ও গ্রামসমুহের চারিপাশ্বে নানাবিধ শস্তক্ষেত্র ছিল। খৃষ্টান, মুসলমান ও হিন্দু এই ত্ৰিবিধ প্রজাগণের যত্নে এখানকার কৃষিকাৰ্য্য সম্পন্ন হইত। গৃহনিৰ্ম্মাণোপযোগী উৎকৃষ্ট কড়ি কাঠ, তক্তা, ও দানাদার পাথর উৎপন্ন হয়। স্থানীয় ও গোয়ার সুবৃহৎ গীর্জা ও প্রাসাদগুলি এখানকার পাথরেই নিৰ্ম্মিত । বৰ্ত্তমান সময়ে যেমন কুঁচকি ফুলিয়া শত শত লোক প্লেগে মারা যাইতেছে, খৃষ্টায় ১৭শ শতাদের শেষভাগেও বসইদ্বীপে সেইরূপ প্লেগ দেখা দিয়াছিল, তাহাতে অল্প সময়ের মধ্যে বসহ-সহর এককালে প্রায় জনশুপ্ত হইয়াছিল । * তৎপরে পুনরায় জনসমাগম হইলেও নগরের উত্তর ভাগ (সমস্ত নগরের প্রায় একতৃতীয়াংশ ) বহুকাল পরিত্যক্ত ছিল। পর্তুগীজদিগের আধিপত্যবৃদ্ধির সহিত খৃষ্টানধর্মের গোড়ামীও যথেষ্ট বৃদ্ধি হয় । খৃষ্টান ভিন্ন আর সকলকেই তাহারা অতি খুশার চক্ষে দেখিতেন। খৃষ্টানদিগের মধ্যেও র্যাহার উ্যহাদের ধৰ্ম্মাচুবৰ্ত্তী হইয়া ন চলিতেন, তাহাদিগকে কারারুদ্ধ করিয়৷ বিশেষ কষ্ট দিত । বসই কারাগারে এরূপ বহু থুষ্টান ও অখুষ্টানকে নিয়তই নিগ্ৰহ ভোগ করিতে হইত। ক্রমে এখনকার শাসনকৰ্ত্ত নিয়ম করিয়া দিলেন যে খৃষ্টান ভিন্ন আর কেহই সহরে বাস করিতে পরিবে না, সম্রাস্ত হিন্দু মুসলমানেরও আর প্রবেশাধিকার থাকিল না । এমন কি খৃষ্টান ভিন্ন আর কাহার ও সহিত পর্তুগীজের জমি জমার বন্দোবস্ত ঋণ আদান প্রদান বা কোন প্রকার বৈষয়িক বা রাজনৈতিক কোন কাৰ্য্য করিতে পারিত না । কি হিন্দু কি মুসলমান যাহাকে সুবিধা পাইত, বলপূৰ্ব্বক ধরিয়া আনিয়া খৃষ্টান করা হইত, খৃষ্টানের আচারবিধি পালন না করিলে আবার সাজা দেওয়া হইত । অধিবাসীরা এইরূপে উত্তাক্ত হইয়া দিল্লীশ্বরের নিকট অভিযোগ করিল। দিল্লীশ্বর পর্তুগীজদিগকে শাসন করিবার জন্ত মহারাষ্ট্রদিগের উপর ভার দিলেন । • ডাক্তার গেমিক্সি কারেরি ১৬৯৫ খৃষ্টাৰে বসই দর্শন করিয়৷ লিখিয়৷ f%wfrww—**the contagious anö pestilential disease carozzo that used to infect all thc cities of northern coast. It is exactly like a bubo, and so violent that it not only takes away all names of preparing for a good end, but a few hours depopulates whole cities.” Churchbill's Voyagee, Vol. iv, p. 191.