পাতা:বিষাদ-সিন্ধু এজিদ্‌-বধ পর্ব.pdf/৩৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


তৃতীয় প্রবাহ, ○ 》 হুইয়াছে - বন্দীখানায় অনেক শুনিলাম । অনেকের মুখে অনেক কথা শুনিলাম। আম্বাজ অধিপতি আসিয়াছেন, মহ মহ বীর সকল আসিয়াছেন । কত কথাই শুনিলাম। শেৰে শুনিলাম, শুনেতে ওমরালীর প্রাণবধুের সংবাদ। হার্যইলাম এমাম বংশের এক মাত্র মহামূল্য মণি জয়নাল আবিদিন । একি শুনি । இ. “জয় জয়নাল আবিদিন” পাঠক ! জয়নাবের কথা ফুবাইল। উচ্চৈঃস্বরে জয়রব কবিতে করিতে সৈন্তগণ বন্ধিখানাব মধ্যে আসিয়া পডিল। দীন মোহামুদি নিশান, জুডঙ্কাব তালে তালে, ছলিয়। ছলিয়া উডিতে লাগিল । নবীন মহাবাজ, আপন ঘনিষ্ট আত্ম য় স্বজনসহ বন্দগৃহ মধুে প্রবেশ করিলেন। পাঠক । এই অবসরে লেখকের একটি কথা শুনুন । সুখেই কান্না পুরুযেও কাব্দে। স্ত্রীলোকেও কানো। তবে পরিমাণে বেশী আর কমি। জয়নাল আবিদিন বন্দিগৃহ মধ্যে প্রবেশ করিলে, র্তাহার মাতা, সহোদর প্রভৃতি প্রিয় পলিজনগণ সুগের কান্নায় চক্ষের জল ফেলিলেন, কি হাসি মুখে হাসিতে হাসিতে প্রিয়দর্শন জযনালকে ক্রোডে করিয়া, মুখচুম্বন কবিলেন ; কি কোন কথ। কহিয়া প্রথম কথা আরম্ভ করিলেন, তাহ নির্ণয় কবা সহজ কথা নহে । দামস্ক কালাগার সৈন্ত সামস্তে পরিবেষ্টিত হইলেও, প্রত্যক্ষে দেখাইতে যে না পারি, তাহাও লছে । ( কার সাধ্য রোধে কল্পণার আঁখি ), তবে কথা এই যে, তাচাই দেখিবেন, না মোহাম্মদ হানিফ, এজিদের পশ্চাৎ ঘোড উঠাইয়। কি করিতেছেন, তাহাই দেখিবেন । আমার বিবুেচনায়, শেষ দুগুই এইক্ষণে প্রযোজন। এজিদ বধের জন্ত সকলেই উৎসক । গাজী বহমানেরও ঐ চিন্তাই এখন প্রবল। মোহাম্মদ হানিফার বি হইল ? এজিcদর-ভাগ্যেই বা কি ঘটিল ? e নবীন মহারাজ র্তাহার মাতার পদধূলী, মাথায় মাখিয়া, অন্য অন্য গুরুজনেব চরণ বদন। কুরিয়ী বন্দীখান হইতে বিজয় ডক্কা বাজাইতে বাজাইতে, জয় পতাকা উড়াইতে উড়াইতে, প্রিয় পরিজনসহ রাজপুর মধ্যে পুনঃপ্রবেশ করুন। আমর। মোহাম্মদ হানিফের অন্বেষণে যাই । চলুন ! এজিদের অশ্বচালনা দেখি ।