পাতা:বীথিকা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২২২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বীথিক দু্যলোকে ভুলোকে মিলে’ শ্যামলে সোনায় মন্ত্র রেখে দিয়ে গেছে বর্ষে বর্ষে আঁখির কোণায়, তাই প্রিয়মুখে চক্ষু যে পরশটুকু পায়, তার দুঃখে সুখে লাগে সুধা, লাগে সুর, তার মাঝে সে রহস্য সুমধুর অনুভব করি যাহা সুগভীর আছে ভরি’ কচি ধানক্ষেতে ; রিক্ত প্রান্তরের শেষে অরণ্যের নীলিম সঙ্কেতে ; আমলকি পল্লবের পেলব উল্লাসে ; মঞ্জরিত কাশে ; অপরাহ্ল কাল, তুলিয়া গেরুয়াবর্ণ পাল পাণ্ডুপীত বালুতট বেয়ে বেয়ে যায় ধেয়ে তম্বী তরী গতির বিদ্যুতে, হেলে পড়ে যে রহস্য সে ভঙ্গীটুকুতে ;