পাতা:ভারতী কার্তিক-চৈত্র ১৩২১.djvu/৫০৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

సీe সঞ্জীবচন্দ্র বড় ব্যঙ্গপ্রিয় ছিলেন। তিনি বশিলেন "যদি দরিদ্র ঘরে তাহাব বিবাহ हब्र उाश् श्टेंtण cभtब्रül c5ांद्र श्tत, বনজঙ্গলে ভাল দ্রব্যাদি থাইতে পাষ্ট ত না, সমায়ে আসিয়া ভাল থান্তৰ্দ্ৰব্যাদি দেখিয়া বড় লোতী হইবে, দরিদ্রদরে ভাল মাগর জুটিবে না, . পবের ঘরের চুনী করিয়া খাইবে, অলঙ্কারাদি চুরী করিয়া পরিয়ে ” পরে ব্যঙ্গ ত্যাগ করিয়া বলিলেন, “কিছুকাল সন্ন্যাসীর প্রভাব থাকিবে, পরে সন্তানাদ হইলে স্বামীপুত্রেব প্রতি স্নেহ জন্মাষ্টগে সমাজের লোক হইয়া পড়িলে, সন্ন্যাসীর প্রভাব তাহার মন হইতে একেবারে তিবেতি হইবে।” ভাবগতিকে বুঝিগাম বঙ্কিমচন্ত্রের এ কথা মনোন্তু হইল না। দীনবন্ধু কোন মতামত প্রকাশ করিলেম না ।-ইছার পর দুই রৎসরের মধ্যে কপালকু গুণ প্রকাশিত ছইল। বঙ্কিমচন্দ্র এই কাপালিক-প্রতিপালিতা, কন্যাকে সমুদ্রতটবিহারিণী, বনগরিণী, স্বষ্টিছাড়া এক অপূৰ্ব্ব মধুর প্রকৃতির মোহিনী মূৰ্ত্তি অঙ্কিত করিয়া গিয়াছেন। বঙ্গদর্শনে বিদায় প্রবন্ধে বঙ্কিমচন্দ্র লিপিয়াছেন—“দীনবন্ধু আমার সাহিত্যের সহায়, ংলারের মুখদুঃখের ভাগী।” লিখিবার অবসর পাইলে দীনপন্ধুও নিশ্চয়ই ঐ কথাই বলিতেন । আমি পূৰ্ব্বে বলিয়াছি যে যশোহরে ইছাদের প্রথম চাঙ্গুষ আলাপের পর ইছার প্রবীণ লেখকের স্তায় কলম ধরিলেন, উভয়ে যেন পরামর্শ করিয়া লিখিতে বসলেম ; ফলতঃ বঙ্কিমচন্ত্রের প্রথম তিনখানি পুস্তক, দুর্গেশনন্দিনী, কপালকুণ্ডল ও মৃণালিনী দানবন্ধুর মতামত লম্বর छाब्रडैौ ម៉ៃ, ১৩২১ প্রচারিত হয়েছিল। বিষবৃক্ষ প্রচারের কি ধ্বং পূৰ্ব্বে কি সেই সময়ে দানবন্ধুর মৃত্যু ईश्न । • * দীনবন্ধুর সমস্ত পুস্তক বঙ্কিমচন্ত্রের মহামত্ব লয়৷ প্রচারিত শুই ছিল । "বিয়ে পাগল বুড়ো” পুস্তকখানিং প্রচার করিতে বঙ্কিমচন্দ্র নিষেধ করিয়াছিলেন, সেগুন্ত উহ। অনেক দিবস অপ্রকাশিত ছিল । বঙ্কিমচন্দ্র লিখিত দীনবন্ধু-জীবনীতেও উহার উল্লেখ আছে। शैनंदकृत्व “লীলাব ।-- তে বঙ্কিমচন্দ্র স্থানে স্থানে লিগিয়াছিলেন, বন্ধুত্বহিসাবে, আমোদ করিয়া লিখয়াছিলেন কিন্তু হাস্তরসে দীনবন্ধুর লেখার সহিত মুর মিলিয়াছিল"fকন, জানি না। বঙ্কিম- চন্দ্রের পুস্তকে কিন্তু দীনবন্ধু কখনও কিছু লেখেন নাই। র্তাহার কোন কোন পুস্তকে শিক্ষানবিশীরূপে তাহার অঙ্গুর এই ক্ষুদ্র লেখক দুই এক পরিচ্ছেদ লিখিয়াছে বটে কিন্তু সে লেখা যে কিরূপ তাহ নিম্নলিখিত গল্পটি হইতে বুঝিতে পারিবেন । কোন গৃহস্থের বাটতে কৃষ্ণনগর ঘুর্ণির এক বিখ্যাত কারিকর নাম কালাচাদ পাল, দুর্গোৎসবে দশভুজার প্রতিমা গড়িত। ষষ্ঠীর দিন রাজি কালে বিদেশ হইতে বাটীর কর্তা আলিয়া প্রী ১ম দর্শনে অতিশয় সস্তুষ্ট হইয়া কালাচাদের প্রশংসা করিতে লাগিলেন। সেই দালানে একটি লোক দাড়াইয়াছিল, সে করযোড়ে বলিল, “আঙ্কে, এ প্রতিমা আমি গড়িয়াছি।” কৰ্ব জিজ্ঞাস কারণেন "छू ब cद ?” লে লোকটি বলিল “আমি ক'লা tারের জুgষ্ঠপে । কওঁ। বিরক্ত হুইয়।