পাতা:যুগান্তর - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/১৭৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

•१२ যুগান্তর - হাতীবাগানের বাড়ীর বহুদিনের নিস্তব্ধতা ভগ্ন হইয়াছে, সেজন্য তিনি কিঞ্চিৎ বিরক্ত ; তথাপি স্ত্রী পুত্ৰ পাশ্বে স্নাসিলে কোন थांकि १श् न। সুখী হন ? সুতরাং তঁাহারও সুখ অনিবাৰ্য্য। কিন্তু সর্বাপেক্ষা সুখী YYSS SDuuDBBDL LLEDO SDDD zz S OBBDBYS MES BD অগ্নি এক দুৰ্দমনীয় আত্মোন্নতির বাসনার প্রমণকান্ন ধারণ করিয়াছে। উন্নতির উপায় হাতের নিকট আসিয়াছে, এজন্য তিনি প্ৰসন্ন। অতএব প্ৰসন্নচিত্তেই হাতীরাগানের বাড়ীর ষষ্টদায় কাজকৰ্ম্ম আরম্ভ হইল। বিজয়াকে এগানে আসিয়া আর ভাড়ারের ভার লাইতে হয় নাই ; কত্রীর হস্তেই সে ভার রহিল ; সুতরাং বিজয়ী নিজ সন্তানদিগের পড়াশুনার তত্ত্বাবধান করিবার অনেক সময় পাইতেছেন। পঞ্ছ, ইন্দুভূষণ ভবেশ ও হরচন্দ্ৰকে ইংরাজী পড়াইতে লাগিলেন, এবং গোবিন্দ বিন্ধ্যবাসিনীকে পড়া বলিয়া দিবার ভার লইল । হরচন্দ্ৰ যাহা বলিয়াছিলেন, তাহা সত্য। সঙ্গীতশিক্ষা বিষয়ে তঁহার যে অভিনিবেশ ও দৃঢ় প্ৰতিজ্ঞ দৃষ্ট হইয়াছিল, ইংরাজীশিক্ষা বিষয়েও সেই অভিনিবেশ দেখা গেল। বালকেরা সচরাচর দশ দিনে যাহা পড়ে, তিনি একদিনে তাহা পড়িয়া ফেলিতে লাগিলেন । পঞ্চর বিষয়ু এখন একটু বলা আবশ্যক হইতেছে। পঞ্চু গিরিশচন্দ্রের মাতৃঘসার পুত্র, সম্পূর্ণ নাম পঞ্চানন চট্টোপাধ্যায়। দরিদ্রের সন্তান, বিদ্যারত্ন মহাশয়ের ভবনে থাকিয়৷ কোনও প্রকারে বিদ্যাশিক্ষা করিমু ছেন । বালক কালে তিনি ডফ সাহেবের স্কুলে পড়িতেন। সেই সময়ে • মিশনারি সাহেবেরা তাহাকে খ্ৰীষ্টান করিবার জন্য বিধিমতে লাগিয়াছিলেন। ১৮৪৫ সালে তঁহার সমাধ্যায়ী ও সুহৃদ গুরুদাস মৈত্র যখন খ্ৰীষ্টধৰ্ম্মে দীক্ষিত হন, পঞ্চুর বয়ঃক্রম তখন ১৬ কি ১৭। তখন বাস্তবিক সহরে জনরব উঠিয়াছিল, যে পঞ্চও সেই সঙ্গে খ্ৰীষ্টধৰ্ম্ম আশ্রয়