পাতা:রঙ্গমল্লী.djvu/৯৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

দৃষ্ট্রিহার Ե՛> প্রথম অন্ধ আমি টের পাইনি । দ্বিতীয় অন্ধ মোহান্ত ঠাকুর তো আমাদের কিছুই জানতে স্থান না। ষষ্ঠ অন্ধ লোকে বলে তুমি অপূৰ্ব্ব স্বনাবা......যেন এ দেশের নও। অন্ধ তরণী আমি নিজেকে কখনো দেখিনি। অন্ধ স্থবির। আমরা কেউ কাউকে দেখতে পাইনি। পরস্পরেব মধ্যে কথাবার্তা চলছে ; এক জায়গায় বাস কচ্ছি ; এক সঙ্গে রইছি ... কিন্তু জানতে পেলাম না আমব কেমন হাত দিয়ে স্পর্শ ক’রে আন্দাজে আন্দাজে পরস্পরেব পরিচয় পাওয়া যায়, কিন্তু চোখ যা দুর থেকে জানায় হাত নিকটে থেকেও তব কাছে এগুতে পারে না..• ষষ্ঠ অন্ধ রৌদ্রে বসলে পব আমি তোমাদের ছায়ার মতন দেখতে পাই । অন্ধ স্থবির যে আশ্রমটিতে এতকাল বাস কচ্ছি তাও কখনো চক্ষে দেখলাম না ! ইংড়ে হাতড়ে দেওয়াল আর দরজার আন্দাজ পাওয়া যায় বটে, কিন্তু আশ্রম গৃহের চেহারা যে কেমন তা’ মোটেই জানিনে। অন্ধ স্থবির। শুনতে পাই ওটা এক প্রাচীন প্রাসাদ, ভারি অন্ধকার, ভারি জরাজীর্ণ, উপরতলায় মোহান্ত ঠাকুরের ঘর ছাড়া অন্ত কোনো ঠাই থেকে মোটে আলোই দেখা যায় না ।