পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (অষ্টম খণ্ড) - সুলভ বিশ্বভারতী.pdf/১০৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বনবাণী ՏԳ কেন এ কে জানে এত বর্ণগন্ধরসের উল্লাস, প্ৰাণের মহিমাছবি রাপের গৌরবে পরকাশ । যেদিন বিতানচ্ছায়ে মধ্যাহের মন্দবায়ে ময়ুর আশ্রয় নিল, তোমারে তাহারে একখানে । দেখিলাম চেয়ে চেয়ে, কহিলাম, কেন এ কে জানে । অভ্যাসের সীমা-টানা চৈতন্যের সংকীর্ণ সংকোচে ঔদাস্যের ধুলা ওড়ে, আঁখির বিস্ময়ারস ঘোচে । মন জড়তায় ঠেকে, নিখিলেরে জীৰ্ণ দেখে, হেনকালে হে নবীন, তুমি এসে কী বলিলে কানে ; বিশ্বপানে চাহিলাম, কহিলাম, কেন এ কে জানে ৷” আমি আজ কোথা আছি, প্রবাসে অতিথিশালা-মাঝে । তব নীললাবণ্যের বংশীধ্বনি দূর শূন্যে বাজে । আসে বৎসরের শেষ, চৈত্র ধরে স্নান বেশ, হয়তো বা রিক্ত তুমি ফুল ফোটাবার অবসানে, তবু, হে অপূৰ্বরূপ, দেখা দিলে কেন যে কে জানে । ভরতপুর S Q C S లిలి কুরচি এক কুরচিগাছ চোখে পড়ল । সমস্ত গাছটি ফুলের ঐশ্চর্যে মহিমান্বিত । চারি দিকে হাটবাজার ; এক পি.ডব্লডি -র স্বরচিত প্রাচীরের গায়ে ঠেস দিয়ে এই একটি কুরচিগাছ তার সমস্ত শক্তিতে বসন্তের ওঠে। এই যেন তার প্রাণপণ চেষ্টা । কুরচির সঙ্গে এই আমার প্রথম পরিচয় । ভ্ৰমর একদা ছিল পদ্মাবনপ্ৰিয়, ছিল শ্ৰীতি কুমুদিনী পানে । সহসা বিদেশে আসি, হায়, আজ কি ও কুটজেও বহু বলি মানে ! -সংস্কৃত উদ্ভট শ্লোকের অনুবাদ যে ভ্রমর, শুনি নাকি তারে কবি করেছে ভৎসনা ।