পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (অষ্টম খণ্ড) - সুলভ বিশ্বভারতী.pdf/৫১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


মহুয়া দুজনে মিলি সাজায়ে ডালি বসিনু একাসনে, নটরাজেরে পুজিনু একমনে । কুহেলি গেল, আকাশে আলো দিল-যে পরকাশি ধূর্জটির মুখের পানে পার্বতীর হাসি । একেলা ছিলে ঘরে । কটিতে ছিল নীল দুকুল, মালতীমালা মাথে, কাকন দুটি ছিল দুখানি হাতে । চলিতে পথে বাজায়ে দিনু বাঁশি, ‘অতিথি আমি, কহিনু দ্বারে আসি । চাহিলে মুখে, কহিলে, “কোন এলে ।” কহিনু আমি, ‘রেখো না ভয় মনে, তনু দেহটি সাজাব তব আমার আভারণে ।” চাহিলে হাসিমুখে, আধোচাদের কনকমালা দোলানু তব বুকে । মকর চুড় মুকুটখানি কবরী তব ঘিরে পর্যায়ে দিনু শিরে । জ্বালায়ে বাতি মাতিল সখীদল, তোমার দেহে রতন সাজ করিল কমলমল । মধুর হল বিধুর হল মাধবী নিশীথিনী, পূৰ্ণচাঁদ হাসে আকাশ-কোলে, আলোকছায়া শিবশিবানী সাগরজলে দোলে । ফুরালো দিন কখন নাহি জানি, সন্ধ্যাবেলা ভাসিল জলে আবার তরীখানি । সহসা বায়ু বহিল প্ৰতিকুলে, প্ৰলয় এল সাগরতলে দারুণ ঢেউ তুলে । व्नदeॉड्ब्ली उद्भि আঁধার রাতে ডুবালো মোর রতনভরা তরী । আবার ভাঙা ভাগ্য নিয়ে দাড়ানু দ্বারে এসে ভূষণহীন মলিন দীন বেশে । দেখি নু আমি নটরাজের দেউলদ্বার খুলি তেমনি করে রয়েছে ভরে ডালিতে ফুলগুলি । হেরিনু রাতে, উতল উৎসবে ठळ दगाव्दंद আলোর নাচ নাচায় চাদ সাগরজলে যবে, নীরব তব নম্ৰ নত মুখে আমারি আঁকা পত্ৰলেখা, আমারি মালা বুকে । ܔ