পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (অষ্টম খণ্ড) - সুলভ বিশ্বভারতী.pdf/৫৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


SVg V35rñG SeSnbr মহুয়া ললাটে তিলক কারো লেখা, . দেখিতে দেখিতে ওঠে কালো হয়ে তার স্বর্ণরেখা । কারো-বাকটিতে বাধা শরীশূন্য তুণ, কেহ করে বজধবনি, নাহি তাহে বজের আগুন । বাতায়নে বসে থাকি, কতদিন কী দেখিয়া আশ্বাসে চমকি উঠে আঁখি ; চেয়ে চেয়ে দ্বিধা লাগে শেষে বৃষ্টি হতে হতে দেখি শিলা পড়ে এসে । একদিন রৌদ্রের বেলায় মধ্যাহ্নের জনতার মুখর মেলায় 경 커g-T2 দাড়াইনু- দেখিলাম যারা যায় আসে তাহদের কায়া সম্মুখে ফেলিয়া চলে দীর্ঘতর ছায়া । শুনিলাম স্পৰ্থাতীষ্মক কণ্ঠস্বর ছিন্ন করে দিতে চাহে দেবতার অখণ্ড অম্বর । eष्क्शन नछाश দীন অঙ্গ সমাচ্ছন্ন ধনের লজায় । ছুটে চলে অশ্বরথ, তার চেয়ে আড়ম্বরে সঙ্গে ওড়ে ধূলির পর্বত । যখন সেদিন সেই উৰ্ধৰ্বশ্বাস লুব্ধ ঠেলা ঠেলি নানা শব্দে উঠিছে উদবেলি তুমি দেখি পথপ্রান্তে একা হাস্যমুখে নিঃশব্দ কৌতুকে চেয়ে আছ-হৃদয় আছিল জনস্রোতে, মন ছিল দূরে সব হতে । তুমি যেন মহাকালসমুদ্রের তটে নিত্যের নিশ্চল চিত্তাপটে দেখেছিলে চঞ্চলের চলমান ছবি, শুনেছিলেভৈরবের ধ্যান-মাঝে উমার ভৈরবী । রহে গেল। জনতার ঢেউ, কে—যে তুমি কোথা আছ দেখে নাই। কেউ । একা আমি দেখেছি তোমারেতুমিই ফেল নি ছায়া ছায়ার মাঝারে । মালা হাতে গেনু ধেয়ে, হাসিলে আমার পানে চেয়ে । মোর স্বয়ম্বরে সেদিন মর্তের মুখ ভুকুটিল অবজ্ঞার ভরে । , 8S