পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (অষ্টম খণ্ড) - সুলভ বিশ্বভারতী.pdf/৭২৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


AOVe রবীন্দ্ৰ-রচনাবলী যখন-তখন লুকিয়ে তাহার আসা, প্ৰদোষ-আলোয় পথহারা তার বাসা । বক্ষে তাহার যে-পুস্পহার দোলে নাই জানা নাই কোথায় সে-ফুল তোলে চক্ষে তাহার কোন ইশারার ভাষা । বৈশাখী ঝড় যতই আঘাত হানে সন্ধ্যাসোনার ভাণ্ডারদ্বার-পানে, মেঘের উপর যতই দারুণ দাবি, গগন আপনি অবগুণ্ঠন টানে । শরৎলক্ষ্মী শুভ্ৰ আলোয় ভাসে, কুন্দকলির স্নিগ্ধ শীতল কথা, আকাশ সে কোন স্বপন-আভায় হাসে— শিশির যখন বেণুর পাতার আগে রবির প্রসাদ নীরব চাওয়ায় মাগে, সবুজ খেতের নবীন ধানের শিষে ঢেউ খেলে যায় আলোক ছায়ায় মিশে, গগনসীমায় কাশের কাপন লাগে— হঠাৎ তখন সূৰ্য-ডোবার কালে দীপ্তি জাগায় দিকলালনার ভালে । মেঘ ছেড়ে তার পর্দা আঁধার কালো, কোথায় সে পায় স্বগলোকের আলো, পরম আশার চরম প্ৰদীপ জ্বলে । ১৮জ্যৈষ্ঠ ১৩৩৪ পূর্বোদধূত “সুসময়’ কবিতার প্রথম চারটি শ্লোকের পরিবর্তিত স্বতন্ত্র রূপ পাণ্ডুলিপির অন্যত্র স্বাধীন কবিতার আকারে পাওয়া গিয়াছে ; তাহা নিম্নে মুদ্রিত হইল : খুঁজে না পাই বাণী কোথায় থাকে। চায় কেহ যেই তখন ধরা পড়ে নই আমি সেই লেখা যো-জন গড়ে, লেখনী মোর শরমে মুখ ঢাকে ।