প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (ষোড়শ খণ্ড) - বিশ্বভারতী.pdf/১০১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পুনশ্চ রাগ হল মনে— ঠেলাঠেলি করে দেখি, আরে আরে ছাত্র যে আমার ! শেষকালে বড়োই তো হল, উন্নতির প্রত্যক্ষ প্রমাণ দিলে ভজু মল্লিকেরই মতো আমার দুয়ারে দিয়ে হানা। ২৬ আষাঢ় ১৩৩৯ ভীরু ম্যাটিকুলেশনে পড়ে ব্যঙ্গস্বচতুর বটেকৃষ্ট, ভীরু ছেলেদের বিভীষিকা । একদিন কী কারণে সুনীতকে দিয়েছিল উপাধি পরমহংস’ বলে। ক্রমে সেটা হল ‘পাতিহাস’। শেষকালে হল ‘হাসখালি’— কোনো তার অর্থ নেই, সেই তার খোচা । আঘাতকে ডেকে আনে যে নিরীহ আঘাতকে করে ভয় । নিষ্ঠুরের দল বাড়ে, ছোয়াচ লাগায় অট্টহাসে। ব্যঙ্গরসিকের যত অংশ-অবতার নিষ্কাম বিদ্রুপস্কুচি বিধে অহৈতুক বিদ্বেযেতে স্বনীতকে করে জরজর একদিন মুক্তি পেল সে বেচার, বেরোল ইস্কুল থেকে । >>