প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (ষোড়শ খণ্ড) - বিশ্বভারতী.pdf/২৭৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ર૭ના রবীন্দ্র-রচনাবলী ঐশ। বলেন তো আজ রাত্রে গোলদিঘির ধারে— রসিক । না শ্ৰীশবাবু, মাপ করবেন। শ্ৰীশ। বিপিন ভাই, তুমি একটু ও ঘরে যাও-না, বোধ হয় তোমার সাক্ষাতে রসিকবাবু— রসিক । না না, দরকার কী— বিপিন। তার চেয়ে রসিকবাবু, তেতালার ঘরে চলুন— শ্ৰীশ এখানে একটু অপেক্ষ করবেন এখন | রসিক । না, আপনারা দুজনেই বস্থন, আমি উঠি । বিপিন। সে কি হয়। কিছু খেয়ে যেতে হবে। শ্ৰীশ । না, আপনাকে কিছুতেই ছাড়ছি নে। সে হবে না। রসিক। তবে কথাটা বলি নৃপবালা নীরবালার কথা তো পূর্বেই আপনার শুনেছেন— শ্ৰীশ । শুনেছি বৈকি— তা নৃপবালার সম্বন্ধে যদি কিছু— বিপিন । নীরবালার কোনো বিশেষ সংবাদ— রসিক। তাদের দুজনের সম্বন্ধেই বিশেষ চিন্তার কারণ হয়ে পড়েছে। উভয়ে । অসুখ নয় তো ? রসিক । তার চেয়ে বেশি। তাদের বিবাহের সম্বন্ধ — শ্ৰীশ । বলেন কী রসিকবাবু। বিবাহের তো কোনো কথা শোনা যায় নি— রসিক। কিছু না— হঠাৎ মা কাশী থেকে এসে দুটো অকালকুষ্মাণ্ডের সঙ্গে মেয়েদুটির বিবাহ স্থির করেছেন— বিপিন। এ তে কিছুতেই হতে পারে না রসিকবাবু। রসিক। মশায়, পৃথিবীতে যেটা অপ্রিয় সেইটেরই সম্ভাবনা বেশি। ফুলগাছের চেয়ে আগাছাই বেশি সম্ভবপর। বিপিন । কিন্তু মশায়, আগাছা উৎপাটন করতে হবে— শ্ৰীশ । ফুলগাছ রোপণ করতে হবে— রসিক । তা তো বটেই, কিন্তু করে কে মশায় । শ্ৰীশ । আমরা করব | কী বল বিপিন । বিপিন। নিশ্চয়ই । রসিক। কিন্তু, কী করবেন। বিপিন। যদি বলেন তো সেই ছেলে-দুটোকে পথের মধ্যে—