পাতা:রামদাস গ্রন্থাবলী দ্বিতীয় ভাগ.djvu/১৯৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

ła অবতরণিকা । কোন শাস্ত্রকার স্বর্ণ ও রৌপ্য প্রভৃতি উংকৃষ্ট ধাতুকেও রত্ন বলিয়া গণ্য করেন। সেই জন্যই আমরা পঞ্চরত্ন ও নবরত্ন প্রভৃতির মধ্যে স্বর্ণরৌপ্যের প্রবেশ দেখিতে পাই । * ' s বিষ্ণুধৰ্ম্মোত্তর ও অগ্নিপুরাণের মতে ধারণের উপযুক্ত উৎকৃষ্ট প্রস্তর—যাহা রত্ন আখ্যা লাভের যোগ্য—তাহার সংখ্যা ৩৬ এবং সে সকলের নাম এই,—বজ ( ১ , মরকত (২), পদ্মরাগ (৩), মুক্ত (৪), ইন্দ্রনীল (৫), মহানীল (৬), বৈদুৰ্য্য (৭), গন্ধসংজ্ঞক (৮), চন্দ্রকান্ত (৯), স্থৰ্য্যকান্ত (১০), পুলক (১১), কর্কেতন (১২), পুষ্পরাগ (১৩), জ্যোতীরস (১৪), স্ফটিক (১৫), রাজবৰ্ত্ত বা রাজ্যপট (১৬), রাজময় (১৭), সৌগন্ধিক (১৮), গঞ্জ (১৯), শঙ্খ (২০), ব্রহ্মময় (২১), গোমেদক (২২), রুধিরাথ্য (২৩), ভল্লাতক (২৪), ধূলীমরকত (২৫), তুৰ্থক (২৬), সীস (২৭), পলু (২৮), প্রবাল (২৯), গিরিবজ (৩০), ভূজঙ্গমণি (৩১), বজ্ৰমণি (৩২), তিক্তিভ (৩৩), পিত্ত বা পিস্ত (৩৪), ভ্রমর (৩৫), উৎপল (৩৬) । বিষ্ণুধৰ্ম্মেত্তির-গ্রন্থকার এই ৩৬ প্রকার প্রস্তরের উল্লেখ করিয়া ইহার প্রত্যেককেই “বজ্র” সংজ্ঞা দিয়াছেন, কিন্তু অগ্নিপুরাণ ইহাদিগকে মাত্র রত্নসংজ্ঞাই দিয়াছেন, অন্ত কোন আখ্যা দেন নাই । } এই সকল প্রস্তরজাতির ভাষা নাম কি ? তাহা আমরা সমস্ত জ্ঞাত নহি । ' * “কনকং কুলিশং নীলং পদ্মরাগঞ্চ মৌক্তি কমৃ ” এতানি পঞ্চরত্নানি রত্বশাস্ত্রবিদে জগুঃ ” 'সুবৰ্ণং রজতং মুক্ত রাজাবৰ্ত্তং প্রবালকম । পঞ্চরতুকমাখ্যাতং শেষং বস্তু প্রচক্ষতে ॥” মুক্তফলং হিরণ্যঞ্চ বৈদূৰ্য্যং পদ্মরাগৰুম্। পুষ্পরাগঞ্চ গোমেদং নীলং গারুত্মতং তথ। । প্রবালযুক্তামুক্তানি মহারানি বৈ নব ।” + “বজ্রং মরকতঞ্চৈব পদ্মরাগঞ্চ মেক্তিকম্। ইন্দ্রনীলং মহনীল বৈদুৰ্য্যং গন্ধসংজ্ঞকম্। চন্দ্রকান্ত সুৰ্য্যকাস্থং স্ফটিকং পুলকং তথা । কর্কেতং পুষ্পরাগঞ্চ তথা জ্যোতৗরসং দ্বিজ । স্ফটিকং রাজবৰ্ত্তঞ্চ তথা প্লাজময়ং শুভম্। সৌগন্ধিকং তথা গঞ্জং শঙ্খং ব্রহ্মমগ্নং তথা ।