পাতা:লক্ষণ সেন - দুর্গাদাস লাহিড়ী.pdf/২২৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


মিলনে । २९> কয়েক দিন নরদ্বীপে অবস্থানের পর, মহারাজ লক্ষ্মণ-সেন জয়দেবের পিতামাতাকে কেন্দুবিশ্বে প্রেরণের ব্যবস্থা করিলেন । জয়দেব ও পদ্মাবতী তাহাঙ্গের অনুগমন করিবেন, স্থির হইল। মহারাজ লক্ষ্মণ-সেন তাহদের গ্রাসাচ্ছাদনের জন্য যথাযোগ্য বন্দোবস্ত করিয়া দিলেন । যে কয়দিন জয়দেব নবদ্বীপে ছিলেন, প্রতিদিনই সভাস্থলে ‘গীতগোবিন্দ’ গান করিতেন । মহারাজ লক্ষ্মণ-সেন সে গান শুনিয়া ভগবৎ-প্রেমে মাতোয়ার হইয়া উঠিতেন। যে দিন গীতগোবিন্দ সমাপন হইল, সেই দিন মহারাজ লক্ষ্মণ-সেন সভাস্থ সকলকে সম্বোধন করিয়া ভক্তিগদগদ-কণ্ঠে কহিলেন,— “যদগান্ধৰ্ব্বকলামু কৌশলযকুধানঞ্চ যদ্বৈষ্ণবম, যচ্ছ গারবিবেকতত্ত্বমপি যৎ কাব্যেয়ু লীলায়িত। তৎ সৰ্ব্বং জয়দেৰপণ্ডিতকবে: কৃষ্ণৈকতানাত্মনঃ, সানন্দাঃ পরিশোধয়ন্তু সুধিয়ঃ শ্ৰীগীতগোবিন্দতঃ সাধবীমাধবীকচিন্তা নভবতিভবতঃশর্কয়েকর্করাসি, দ্রাক্ষেদ্রক্ষত্তিকে স্বামমৃতস্তমসিক্ষীরনীরংরলস্তে মা কন্দ ক্ৰন্দকান্তাধরধরণিতলং গচ্ছযচ্ছন্তি যাবপ্তবং শৃঙ্গারসারস্বতমিহ জয়দেবস্ত বিম্বশ্বচাংসি ॥ শ্ৰীভোজদেবপ্রতবস্ত বামাদেবীমুত-শ্ৰীজয়দেবকস্ত, পরাশরাদিপ্ৰিয়বন্ধুকণ্ঠে ঐগীতগোবিন্দকৃতিত্বমস্থ ।" “হে বুধমণ্ডfল! হে ভক্তবৃন্দ ! যদি সঙ্গীত-শাস্ত্রালোচনার সঙ্গে সঙ্গে শ্ৰীকৃষ্ণলীলা-মাধুর্য্য-রস আস্বাদন করিতে চান, তবে কৃষ্ণগত-প্রাণ কবিপ্রবর জয়দেব গোস্বামী রচিত এই গীত, গোবিন্দ গ্রন্থ আনন্দে পাঠ করুন। যে দিন হইতে জয়দেব