পাতা:লক্ষণ সেন - দুর্গাদাস লাহিড়ী.pdf/৫৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


68 লক্ষণ-সেন কন্যাসহ তাহারা সেই ঘরের মধ্যে বিশ্রাম করিতেছিলেন। ভ্ৰমেও র্তাহারা মনে করেন নাই যে, সহসা এমন বিপদ উপস্থিত হইবে ! কন্যাহার পিতামাতার ক্রন্দনে সকলেই সমবেদনা প্রকাশ করিতে লাগিলেন। কেহ সান্থনা করিবার চেষ্ট পাইলেন কেহ বা দিবসে দসু্যদলের অনুসন্ধান লইবেন বলিয়া আশ্বাস দিলেন, কেহ বা দীর্ঘনিশ্বাস পরিত্যাগ করিয়া কহিলেন,— “আহা! সকলের ভাগ্যে কি এ সৌভাগ্য ঘটে ? জগবন্ধুর পাদপদ্মে কন্যা-সমর্পণ—কত জন্মজন্মান্তরের পুণ্যফলে সে সৌভাগ্য ঘটিতে পারে।” সকলকার সকল প্রকার মন্তব্যই পদ্মাবতীর পিতামাতার কর্ণে প্রবেশ করিল ! শেষোক্ত মন্তব্যে র্তাহাদের চিত্ত যেন অধিকতর বিচলিত হইয়া উঠিল । তাহারাও পতি-পত্নীতে বলাবলি করিতে লাগিলেন—“সত্যই তো ! বড় সৌভাগ্যবান ন৷ হইলে, কেহ কি আর জগবন্ধুর পাদপদ্মে কন্যারত্ন সমর্পণ করিতে সমর্থ হয় ?” . পদ্মাবতীকে লইয়। তাহার পিতামাত পুরুষোত্তমের পথে যতই অগ্রসর হইতেছিলেন, পদ্মাবতীর মাত কাত্যায়নী দেবী ততই ব্যাকুলা হইয়া পড়িতেছিলেন ; পদ্মাবতীর পিতা হৃষীকেশ ভট্টাচার্য্য অনেক করিয়া তাহাকে সাস্তুনা করিতেছিলেন । আজ চটি হইতে ললিতা অপহৃত হওয়ায় হৃষীকেশ পত্নীকে সাম্বনদানের একটু অবসর পাইলেন। যাত্রীদের স্বরে মুর মিলাইয়া পত্নীকে তিনি বলিলেন,—“দেখ লে! ইচ্ছা করলেই কি সকলে জগবন্ধুর পাদপদ্মে উপস্থিত হ’তে পারে ? জগবন্ধুর অপার করুণা !—তাই এই বিষম পথে পদ্মাবতীকে আমরা এখনও