পাতা:লালন-গীতিকা.djvu/১৮৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


লালন-গীতিকা X (t) ক’রে আজব কারিগরি বসে আছে ভাব-মিস্ত্রী সেই পিঞ্জরার বাহিরে পাখির আসা যাওয়া দ্বার মাঝে সন্ধিপর ফকির লালন বলে, কেউ দেখতে পারে। ミペ(2 সদায় সে নিরঞ্জন নীরে ভাসে । যে জানে সে নীরের খবর নীর খাটায় তারে খুজিলে পায় অনায়াসে ॥ বিনা মেঘে নীর বরিষণ করিতে হয় তার অন্বেষণ, যাতে হ’ল ডিম্বের গঠন, থাকিয়ে আবিস্ব শুম্ভোবাসে * ॥ যথা নীরের হয় উৎপত্তি সেই আবেশে জন্মে শক্তি মিলন হ’ল উভয় রতি ভাসলে যখন নরেকারে এসে ॥ নীরে নিরঞ্জন অবতার, নীরেতে সব করবে সংহার, সিরাজ সাই তাই কয় বারেবার, দেখ রে লালন আত্মতত্ত্ব-বশে ॥ ১ শুমোবাসে