প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (অষ্টম সম্ভার).djvu/২৫৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


नंद९-नांश्डिा-जर&श् ভরে বলিয়া উঠিলেন, বৌঠানের ভাইকে নিয়ে আজ কি কাও বাধিয়ে বসে আছ! কারু মানা শুনবে না, যেখানে যত হতভাগা লক্ষ্মীছাড়া আছে, দেখলেই তার দিকে কোময় বেঁধে দাড়াবে, রোজ রোজ আমার এত হাঙ্গামা সহ হয় না মেজবোঁ । আজ বৌঠান আমাকে না-হুক্ দশটা কথা শুনিয়ে দিলেন। 攀 হেমাঙ্গিনী শ্ৰাম্ভকণ্ঠে কহিলেন, বৌঠান হক্‌ কথা কবে বলেন যে আজ তোমাকে নাহুক্ কথা বলচেন । বিপিন বলিলেন, কিন্তু আজ তিনি ঠিক কথাই বলেছেন। তোমার স্বভাব জানি ত। সেবার বাড়ির রাখাল ছোড়াটাকে নিয়ে এই রকম করলে, মতি কামারের ভাল্পের আমন বাগানখানা তোমার জন্যেই মুঠোর ভেতর থেকে বেরিয়ে গেল, উন্টে পুলিশ খামাতে একশ দেড়শ ঘর থেকে গেল । তুমি নিজের ভাল-মন্দও কি বোঝ না ? কৰে এ স্বভাব যাবে ? - হেমাঙ্গিনী এবার উঠিয়া বসিয়া স্বামীর মুখপানে চাহিয়া কহিলেন, আমার স্বভাব যাবে মন্ত্রণ হলে, তার আগে নয়। আমি মা,—আমার কোলে ছেলেপূলে আছে, মাথার ওপর ভগবান আছেন। এর বেশী আমি গুরুজনের নামে নালিশ করতে চাইনে। আমার অস্থখ করেচে—আর আমাকে বকিও ন—তুমি যাও। বলিয়া গায়ের র্যাপারখানা টানিয়া পাশ ফিরিয়া শুইয়া পড়িলেন । বিপিন প্রকাণ্ডে আর তর্ক করিতে সাহস করিলেন না, কিন্তু মনে মনে স্ত্রীর উপর এবং বিশেষ করিয়া ঐ গলগ্রহ দুর্ভাগাটার উপর আজ মর্মাস্তিক চটিয়া গেলেন। Wo পরদিন সকালে জানালা খুলিতেই হেমাঙ্গিনীর কানে বড় জায়ের তীক্ষু কণ্ঠের ঝঙ্কার প্রবেশ করিল। তিনি স্বামীকে সম্বোধন করিয়া বলিতেছেন, ছোড়াটা কাল থেকে পালিয়ে রইল, একবার খোজ নিলে না ? স্বামী জবাব দিলেন, চুলোয় যাক। কি হবে খোজ করে ? স্ত্রী কণ্ঠস্বর সমস্ত পাড়ার শ্রতিগোচর করিয়া বলিলেন, তা হলে যে নিজেদের গ্রামে বাস করা দায় হবে! আমাদের শক্র ত দেশে কম নেই, কোথাও পড়ে মরেটরে থাকলে ছেলেবুড়ো বাড়িগুদ্ধ সবাইকে জেলখানায় যেতে হবে, তা বলে দিচ্চি। হেমাঙ্গিনী সমস্তই বুঝিলেন, এবং তৎক্ষণাৎ জানালাটা বন্ধ করিয়া দিয়া একটা নিঃশ্বাস ফেলিয়া অন্যত্র চলিয়া গেলেন । sa इभूद्भावणां ब्रांद्रांचाब्रव्र लांeब्रांद्र बगिब्रां षांन कठक क िथाहेरठष्ट्जिन, ए#ां९ 令姆邨