প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (একাদশ সম্ভার).djvu/১৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


छब्रिजशैन অন্ধকার । ছোট একটুখানি নিরাকার ব্রহ্মই মানো, আর হাত-প-ওয়ালা তেত্রিশ কোটি দেবতাই স্বীকার কর, কোন ফন্দিই খাটে না । সমস্ত এক শিকলে বাধা । একটিকে টান দিলেই সব এসে হাজির হবে । ওই স্বৰ্গ-নরক আসবে, ऐश्कांजপরকাল আসবে, অমর আত্মা এসে পড়বে, তখন কবরস্থানের দেবতাগুলিকে ঠেকাবে কি দিয়ে ? কালীঘাটের কাঙালীর মত ? সাধ্য কি তোমার একজনকে চুপি চুপি কিছু দিয়ে পরিত্রাণ পাও। নিমেষের মধ্যে যে যেখানে আছেন এসে ঘিরে ধরবেন। ঈশ্বর মানি, আর ভূতের ভয় করিনে—সে হবার জো নেই ভূপতিবাৰু। যেরূপ ভঙ্গি করিয়া সে কথার উপসংহার করিল তাহাতে সকলেই উচ্চরবে হাসিয়া উঠিল। অপেক্ষাকৃত লঘু-বয়স্ক দুইজন বালকের হাস্ত-কোলাহলে রবিবারের অলস মধ্যাহ্ন চঞ্চল হইয়া উঠিল । উপেন্দ্রর স্ত্রী স্বরবালার প্রেরিত যে চাকর দূরে দাড়াহয় এতক্ষণ বিড় বিড় করিতেছিল, সে পৰ্য্যন্ত মুখ ফিরাইয়া মৃদ্ধ মৃদ্ধ হাসিতে লাগিল । , কলহের মেঘখানা ইতিপূৰ্ব্বে ভীষণ আকার ধারণ করিতেছিল, সেসমস্ত হাসির ঝড়ে কোথায় উড়িয়া গেল তাহার উদ্দেশ রহিল না । কেহই স্থশ করিল না, দ্বিপ্রহর বহুক্ষণ উত্তীর্ণ হইয়া গিয়াছে এবং এতক্ষণে বাড়ির ভিতরে ক্ষুৎপিপাসাতুর ঝি’র দল উঠানে দাড়াইয়া চেঁচামেচি করিতেছে ও রান্নাঘরে বামুনঠাকুরের কৰ্ম্মত্যাগের দৃঢ় সঙ্কল্প পুনঃ পুনঃ ঘোষণা করিয়া দিতেছে।