প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (একাদশ সম্ভার).djvu/২১৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


শরৎ-সাহিত্য-সংগ্ৰহ বে ভাষা ব্যবহার করিতেছে, তাহা হিন্দুস্থানী জিহ্বা ছাড়া উচ্চারণ করিতে পারে এত বড় জিভ পৃথিবীর আর কোন জাতের নাই । সতীশের প্রথমে মনে হইল, ইহার এই দিকে কোথাও এই স্ত্রীলোকটিকে লইয়৷ আমোদ করিতে আলিয়াছিল, এখন ঘোড়া পলাইয়া যাওয়ায় এ আর এক প্রকারের আমোদ করিতেছে । একবার তাবিল ফিরিয়া যায়, কিন্তু কি জানি কেন আজ সে কোনমতেই কৌতুহল দমন করিতে পারিল না। ঠিক এমনি সময়ে তাহার সবিস্ময় দৃষ্টি পড়িল মেয়েটির পোষাকের উপর। সন্ধ্যা ও ধূলা-বালির আঁধারে ও মনে হইল, তাহার পরণের কাপড়খানা যেন পার্শি শাড়ি এবং তাহা বাঙালী-মেয়ের মত করিয়া পপ্পা। পায়ে জুতা, কিন্তু সে জুতা লক্ষ্মেীয়ের লপেটা নয়—ইংরাজ রমণীর। যাহা পায়ে দেয়, তাই । অকস্মাৎ মেয়েটি উচ্চকণ্ঠে ডাকিয়া কহিল, মশাই, আমাকে বঁচোন। ধাচান’ ! একমুহূর্তে সতীশের বৈরাগ্যের মেশা দুটিয়া গেল। কামিনী-কাঞ্চন খে একান্ত হেয় এ তত্ত্ব ভুলিয়া গেল-বাঘের মত লাফ দিয়া সে একেবারে মেয়েটির কাছে আসিয়া দাড়াইল । কহিল, কি হয়েচে ? - মেয়েটি এতক্ষণ পৰ্য্যস্ত একাকী অনেক নির্ধ্যাতন সহ করিয়াছিল, এইবার মুখ ঢাকিয়া বসিয়া পড়িয়া কাদিয়া ফেলিল । - সতীশ বাগ্র-কণ্ঠে প্রশ্ন করিল, ব্যাপার কি ? হয়েচে কি ? এয়া আমাকে বড় অপমান করেচে। অপমান করেচে। কে এরা ? জানিনে । জান না ? সতীশ একসঙ্গে একরাশ প্রশ্ন করিয়া ফেলিল, তুমি কে ? কোথা থেকে এখানে এলে ? তোমার সঙ্গের লোক কই ? গাড়ি কার ? - ... • মেয়েটি চোখ মুছিয়া রুদ্ধস্বরে বলিল, আমার সহিল ঘোড়া ধরতে সঙ্গে সঙ্গে ছুটেছে—জার কেউ নেই। আমি ত্রিকূট দেখতে এসেছিলুম—প্রায় আলি—সেখান থেকে এরা আমাকে বিরক্ত করতে করতে আসছে। * . - সতীশ কুদ্ধ হইয়া কহিল, বেশ করেচে। আপনি কি মেমসাহেৰ যে টমটম হাকিয়ে এত দূরে এসেচেন! আপনি কি ইংরেজের মেয়ে যে, যেখানে ইচ্ছে একলা গেলেও কোন ভয় নেই ? আমাদের দেশী লোক অসহায় দেশী মেয়ে পেলেই তাকে অপমান করবে—অত্যাচার করবে—এই এদেশের নিয়ম, এ-কি আপনার বাপ মায়েরা জানেন না ? বলিয়া ছিলুম্বানীদের যেটি সকলের বড় তাহার প্রতি জটি নিক্ষেপ করিয়া কহিল, তুষ-লোক খাড়া কাহে হয় ? * . . . . . . . . . . YZ BBBS BBB BBSS S S S S S S S S S S दैs६७