প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (একাদশ সম্ভার).djvu/২২২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


শরৎ-সাহিত্য-সংগ্ৰহ এইখানেই রাত্রিবাস করতে হবে, না হয় হাটতে হবে । এ-ছাড়া তৃতীয় উপায় নেই। আমি হঁটিতে পারি, কিন্তু আপনি ছাড়া কারে সঙ্গে নয় । তার মানে ? আমার সঙ্গে গেলেই কি বিপদের সস্তাবনা নেই ? নেই কেন, আছে। কিন্তু তার সব ভার আপনার উপরে। জবাবদিহি আপনাকেই করতে হবে, আমাকে নয় । সতীশ কহিল, আমাকে জবাবদিহি করতে হবে কেন ? আমার অপরাধ ? আর কারে কাছে না করুন, নিজের কাছে ত করতে হবে ? বলিয়া হঠাৎ नtब्राँछिन्नैौ छक श्हेग्न थांभिग्नां cश्रृंक । • সতীশ আর তাহার প্রতিবাদ করিল না, কিন্তু স্পষ্ট অহভব করিল, দুঙ্গনের ক্ষণিক নীরবতার মাঝখান দিয়া লজ্জীর একটা দমকা বাতাস বহিয়া গেল । কে আসচে না ?—বলিয়া সরোজিনী চেয়ার ছাড়িয়া উঠিয়া গিয়া কিছুক্ষণ পধ্যস্ত বারীন্দীর রেলিঙে ভর দিয়া অন্ধকার বাগানের দিকে চাহিয়া দাড়াইয়া রহিল । খানিক পরে সে যখন 'কেউ না, বলিয়া স্বস্থানে ফিরিয়া আসিল এবং কাপড়চোপড় আর একবার বেশ করিয়া সামলাইয়া লইয়া উপবেশন করিল, তখন সতীশ কোন কথাই কহিছে পারিল না । অতঃপর উভয়েই চুপ করিয়া বসিয়া রহিল। তখন বাহিরে ঝড় থামিলেও বৃষ্টি থামে নাই। মাথার উপরে অন্ধকার আকাশ এবং চারিদিকে মহুয়ার বনের মধ্যে সে অন্ধকার দশ গুণ গভীর হইয়াছিল। তাহারই একাস্তে স্বল্পালোকিত বারান্দার উপর এই দুটি তরুণ-বয়স্ক নর-নারী মুখোমূখী বসিয়াও কথার অভাবে যখন নীরব হইয়া রহিল, তখন আর একটি অন্ধ দেবতা অলক্ষ্যে থাকিয়া নিশ্চয়ই মুখ টিপিয়া হাসিতে লাগিলেন, এবং সেই চাপা হাসির দীপ্তি কালো মেঘের আড়ালে রহিয়া খেলা করিতে লাগিল । বাহিরের প্রকৃতি তাহার আকাশ-বাতাস আলো-অন্ধকারের লীলায় মানুষের মনোভাব ও হৃদয়বৃত্তিকে যে কেমন করিয়া টানিয়া লইতে পারে, সতীশ কিছুকাল পূৰ্ব্বে একদিন রাত্রে তাহার পরিচয় পাইয়াছিল। সেদিন বেহারীর মুখে বিপিনের সহিত সাবিত্রীর গৃহত্যাগের সংবাদ পাইয় তাহার সমস্ত ভবিষৎ দুঃখের সাগরে ভূবিয়া গেছে মনে করিয়া সে যখন দিগ্বিদিক জ্ঞানশূন্ত হইয়া একাকী চুটিয়া গিয়া কেরার জনহীন নীরব প্রাস্তরের মধ্যে গুইয়া পড়িয়াছিল, তখন এমনি কালে আকাশ তাহার শীতল হাতখানি দিয়া সতীশের সমস্ত জাল মুছিরা দিয়া সেই नॉबिंबौष्करे. क्वा कब्रिाउ नि४ाहेबं बिहिण । चांबाइ, चांबिकाङ्गं बहे ऐकॉर्व ই ১2