প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (একাদশ সম্ভার).djvu/২৯৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


अंब्र९-लांहेिछा-नरáांझ् ডাকাইয়া আনিয়া জিজ্ঞাসা করিলেন, তুই সতীশকে এ-বাড়িতে আসতে ৰায়ণ করেচিস ? : জ্যোতিষ আশ্চৰ্য্য হইয়া বলিল, না, এ তোমাকে কে বললে ? উপৗনকে তুই সতীশের কথা নিয়ে টেলিগ্রাম করেচিস ? 囊川计 সতীশ কি করেচে ? জ্যোতিষ একটু চুপ করিয়া থাকিয়া বলিল, যা করেচে, সে যদি সত্যি হয়, তা হলে তার সঙ্গে আমাদের আর কোন সম্বন্ধই নেই । এ-খবর তোকে কে দিলে, শশাঙ্কমোহন ? দুষ্ট লোক, ওর কথা আমি একতিল বিশ্বাস করিনে । .ين জ্যোতিব কহিল, আমি বিশ্বাস করি। কিন্তু তার অৰ্দ্ধেকও যদি সত্যি হয়, তা হলেও আমি বলচি মা, সতীশের ছায়। মাড়াতেও আমাদের স্বণ হওয়া উচিত। ছেলের উত্তপ্ত কণ্ঠস্বরে জগৎতারিণী নরম হইয়া বলিলেন, বেশ ত, আমাকে খুলেই বল না বাছ কি হয়েচে ? সতীশ কিছু চুরি-ডাকাতিও করেনি, খুন করেও পালিয়ে আসেনি যে, তার ছায় মাড়াতে ও তোমাদের ঘৃণা হবে । ছেলেমাকুৰ মনের ভুলে যদি কিছু দোষ-ঘাট করেই থাকে—এমন কত লোকই ত করে—শুধরে নিতে কতক্ষণ ? জ্যোতিৰ ঘাড় মাড়িয়া কহিল, না মা, সে-সব অপরাধ মাপ করা যায় না । অন্ততঃ সরোজিনী পারবে না, এ তোমাকে আমি নিশ্চয় বলচি । জগৎতারিণী একটু চিন্তা করিয়া বলিলেন, অপরাধটা কি শুনি । কাল শুনো মা । উপীনের চিঠি না পাওয়া পৰ্য্যস্ত এ আলোচনায় আর কাজ নেই, বলিয়া জ্যোতিষ দ্বিতীয় অনুরোধের পূর্বেই ঘর হইতে বাহির হইয়া গেল । এতক্ষণ উত্তেজনার আবেগে জগৎতারিণী বিছানায় উঠিয়া বসিয়াছিলেন, ছেলে চলিয়া যাইতেই একেবারে নিজীবের মত শয্যা গ্রহণ করিলেন, দীর্ঘশ্বাস ফেলিয়া বলিলেন, ভগবান ! এ কলিকালে কি কাউকে বিশ্বাস করবার তুমি জো রাখোনি ঠাকুর । আতাসে অনুমানে তিনি অনেক কথাই বুঝিলেন। তাই শুধু সতীশের জন্য নয়, স্বামীর কথা মনে পড়িয়াও র্তাহার দু'চক্ষু বাহিয়া এখন হু হু করিয়া অশ্র ঝরিতে লাগিল । - রাত্রে একবার মেয়েকে ডাকিতে পাঠাইয়াছিলেন, এলোকেশী সরোজিনীর সাড়া না পাইয়া ফিরিয়া আসিয়া জানাইল, দিদিমণি ঘুমিয়ে পড়েছে । રtpg