প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (একাদশ সম্ভার).djvu/৩৪২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


*ब्र६-नांहिङा-नरáश् হইলেই বিবাহ হইবে। সাবিত্রী এখন সেই ইঙ্গিতই করিল এবং সতীশ চুপ করিয়াই শুনিল । যাবার দিন সকালে উপেন্দ্র একটু চিন্তান্বিত হইয়াই প্রশ্ন করিলেন, তোর শরীর কি তেমন মুস্থ বোধ হচ্চে না, সতীশ ? কাল থেকে যেন তোকে ভারী শুক্নো দেখাচ্চে । . সতীশ উদাস-কণ্ঠে কহিল, না, বেশ ভালই আছি । উপেন্দ্র চলিয়া গেলে সাবিত্রী ঘরে ঢুকিল । তাহার দু'চক্ষু রাঙা, চোখের পল্লব ভিজিয়া ভারি হইয়া উঠিয়াছে, তাহ চাহিলেই চোখে পড়ে। মাথার দিব্যির কথা পুন: পুনঃ স্বরণ করাইয়া বলিল, কথা রাখবে? সতীশ বলিল, রাখব। " মদ, গাজা হাত দিয়েও কখন ছোবে না ? न! । আমাকে জিজ্ঞাসা না করে তন্ত্ৰ-মন্ত্রের দিকেও যাবে না ? की { যতদিন না শরীর একেবারে সারে দু'দিন অন্তর চিঠি লিখধে ? লিখব । তাতে কোন কথা লুকোবে না ? ने! ! তবে চললুম, বলিয়া সাবিত্রী তাড়াতাড়ি নমস্কার করিয়া বাহির হুইয়া গেল । সতীশ বিছানার উপর বসিয়া ছিল, গুইয়া পড়িল । বিদায় দিবার জন্তে নীচে নামিবার চেষ্টাও করিল ন} | . - বাহিরে দুখান পালকি প্রস্তুত ছিল। কাছে দাড়াইয়া উপেন্দ্র ডাক্তারবাবুর সঙ্গে আস্তে আস্তে আলাপ করিতেছিল, মোট চাদরে সর্বাঙ্গ আবৃত করিয়া সাবিত্ৰী ধীর-পদবিক্ষেপে আসিয়া অন্যটায় প্রবেশ করিবার উপক্রম করিতেই বেহারী ছুটিয়া আসিয়া চুপি চুপি কহিল, একবার ফিরে চল মা, বাৰু কি একটা বিশেষ দরকারে ডাকচেন । - * * সাবিত্ৰী ফিরিয়া গেল, উপেন্দ্র কথা কহিতে কহিতে তাহা লক্ষ্য করিলেন । সাবিত্ৰী ঠিক এই ভয়ই করিতেছিল । ঘরে প্রবেশ করিয়া দেখিল, সতীশ ও-ধারে মুখ করিয়া গুইয়া আছে। বিছানার সন্নিকটে আসিয়া হাসির ভান করিয়া কছিল, ব্যাপার কি ? আমাদের ট্রেন ফেল করে দেবে না কি ? , , , בסיסו