প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (একাদশ সম্ভার).djvu/৩৭২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


শরৎ-সাহিত্য-সংগ্ৰহ আছেন। তখন যদি তার কথাটা বিশ্বাস হতো। সহসা তাহার চক্ষু জিৰাবরের পাণ্ডুর মুখের উপর পড়িতেই বলিয়া উঠিল, আহা! তুমি কেন অমন কুষ্ঠিত হয়ে রয়েচ ঠাকুরপো, তোমাকে কি এর লজ্জা দিচ্চে ? বলিয়াই উপেক্সর প্রতি তীব্র দৃষ্টি নিক্ষেপ করিয়া কহিল, ওকে তোমরা দুঃখ দিয়ে না ঠাকুরপো, আমার হাতে যেমন ওকে সঁপে দিয়েছিলে, সে সত্য একদিনের জন্তে ভাঙিনি-ওকে প্রাণপণে রক্ষা করে এসেচি। কিন্তু আর আমার সময় নেই-এবার ওকে তুমি ফিরিয়ে নাও। হঠাৎ শাস্ত হুইয়া মিম্বকণ্ঠে বলিল, জামার আঁচলে মা কালীর প্রসাদ বাধা আছে ঠাকুরপো, একটু খাৰে ? হয়ত ভাল হয়ে যাবে। শুনেচি এমন কত লোকে ভাল হয়ে গেছে । একদিন ষে রমণীর রূপেরও সীমা ছিল না, বিদ্যা-বৃদ্ধিরও অবধি ছিল না, এ সেই কিরণময়ী, আজ সে কি বলিতেছে, সে নিজেই জানে না ! সতীশ আর সহ করিতে না পারিয়া উঃ- করিয়া ঘর ছাড়িয়া চলিয়া গেল এবং এতদিনের পর উপেন্দ্রর চোখ দিয়া কিরণময়ীর জন্য জল গড়াইয়া পড়িল । কিরণময়ী হেট হইয়া আঁচল দিয়া সে অশ্রু মুছাইরা দিয়া কহিল, আহা কেলে না ঠাকুরপো, ভাল হয়ে যাবে। এইবার সাবিত্রীর প্রতি তাহার দৃষ্টি পড়িল। ক্ষণকাল ঠাহর করিয়া দেখিয়া কছিল, সেদিন তোমার সঙ্গেই গঙ্গার ঘাটে দেখা হয়েছিল না গা ? একটু সর না ভাই, তোমার মত আমিও একটু ঠাকুরপোকে কোলে নিয়ে বসি । সরোজিনী তাহার হাত ধরিয়া কহিল, আমাকে চিনতে পার বৌদি ? কিরণময়ী অত্যন্ত সহজভাবে বলিল, পারি বৈ-কি। তুমি ত সরোজিনী। সরোজিনী কহিল, চল বোঁদি, আমরা ও ঘরে গিয়ে একটু গল্প করি গে, বলিয়া ७क ब्रकभ cजांद्र कब्रिड्रांद्दे शांप्लद्र शरव्र छैiनिब्रां लद्देब्रॉ cणन । তাহারা গৃহের বাহির হইতে না হইতেই উপেন্দ্রর সংজ্ঞ লোপ হইল। বোধ করি পরিশ্রম ও উত্তেজনা তাহার অসহ্য হইয়াছিল। সাবিত্ৰৗ তেমনি কোলে করিয়াই রছিল, আর সে জলটুকু পৰ্যন্ত মুখে দিবার জন্ত উঠিল না। সমস্ত দুপুরবেলাটা অজ্ঞান অবস্থায় কাটিল, কিন্তু সন্ধ্যার পর জর বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গেই আবার তার চেতনা ফিরিয়া আসিল । চোখ মেলিয়া প্রথমেই চোখে পড়িল সাবিত্রী। ক্ষীণকণ্ঠে বলিলেন, আছিল বোন ? তোকে ছেড়ে যেতেই আমার চোখে জল আসে সাবিত্রী। সাবিত্রী কাদিয়া কছিল, আমাকেও তুমি সঙ্গে নাও জাল । উপেন্দ্র তাহার উত্তর না দিয়া সতীশকে বলিলেন, বৌঠান কোৰাৰ ৱে । eus