প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (একাদশ সম্ভার).djvu/৬৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


अब्र९-नांश्छिा-न86ांह সতীশ মুখের ভাব শক্ত করিয়া বলিল, দ্বিতীয় কারণটা মিছে কথা, ওই প্রখমই সব । সমস্ত বিষয়েই তোমার জিদ আর জবরদস্তি । এই জিদের সঙ্গে কারু পারবার জো নেই। সাবিত্রী মূখ তুলিয়া একটুখানি হাসিয়া বলিল, তবে মিথ্য চেষ্টা করা কেন ? সতীশ আরও গম্ভীর হইয়া বলিল, সাবিত্রী । আজ আমার চেষ্টা কোনমতেই মিথ্যা হবে না। হয় তোমার দ্বিতীয় কারণ বলে, না হয় সত্যি বলচি তোমাকে, আমি কোনমতেই এখানে কিছু থাবো না । সতীশের গে। দেখিয়া সাবিত্ৰী নিঃশব্দে হাসিতে লাগিল। কিছুক্ষণ পরে আস্তে জান্তে বলিল, আমি ভাবচি আজ আপনি এলেন কেন ? আজি আমার জন্মদিন তাই, নিজে এসে যখন দাসীর ঘরে পায়ের ধুলো দিয়েচেন, তখন শুধু শুধু আপনাকে ছেড়ে দিতে পারিনে—“পারিনে বলিয়াই সাবিত্রী হঠাৎ থামিয়া গেল বটে, কিন্তু তাহার অস্তরের গোপন ব্যথাটা তাহারই কণ্ঠস্বরের মুক্ত পথ ধরিয়া এমনি আকস্মাৎ সতীশের স্বমুখে আসিয়া, দাড়াইল যে, কয়েক মুহূর্তের জন্ত সতীশের সমস্ত বোধশক্তি অসাড় হইয়া গেল । বুদ্ধিমতী সাবিত্রী ইহা চক্ষের নিমিষে অনুভব করিয়া তার সমস্ত কথাটাকে সহজ পরিহাসে পরিণত করিয়া হাসিয়া বলিল, ভগবান আজ আপনাকে আমার অতিথি করে পাঠিয়েচেন, স্বতরাং খেতেও হবে, দক্ষিণেও নিতে হবে,—আজ নিতান্তই জাতটা মারা গেল দেখচি । এতক্ষণে সতীশের সহজ শক্তি ফিরিয়া আসিল, জিজ্ঞাসা করিল, সত্যিই কি चांज cठांभांब्र छद्मनि ? সাবিত্ৰী বলিল, সত্যি । সতীশ বলিল, তবে এমন দিনে যদি এসেই পড়েচি ত দোকানের কতকগুলো বাগি মেঠাই-মণ্ডা খেয়ে পেট ভরাব না । তা ছাড়া ও-সব ত আমি কোনদিনই খাইনে । সাবিত্রীও তাহা জানিত। মনে মনে লজ্জিত হইয়া বলিল, কিন্তু আজ যে রাত হয়ে গেছে ! সতীশ বলিল, হ’লোই বা রাত। আজ বাসায় ফিরে গিয়ে ত বকুনি খেতে হবে ন যে, রাতকে আজ ভয় করতে হবে ; যাই বল তুমি, কোন মতেই আমি ও-সব थांब नीं । তোমার সঙ্গে পারবার জো নেই, বলিয়া সাবিত্রী হাসিয়া উঠিয়া গেল । সতীশ বসিয়াছিল, গুইয়া পড়িল । এই ক্ষুদ্র কুটীয় এবং এই নিৰ্ম্মল শুভ্ৰ শয্যা ছাড়িয়া যাইতে কোনমতেই তাহার মন উঠিতেছিল না, অথচ, আত্মসম্ম অক্ষুণ্ণ Ge