প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (ত্রয়োদশ সম্ভার).djvu/১৯০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


শরৎ-সাহিত্য-সংগ্ৰই যে গাড়ি ভারতীকে আনিয়াছিল তাহা অপেক্ষা করিতেছিল। মুনিদ্রা হইতে গাড়োয়ান প্রভুকে তুলিয়া ইহাতেই তিনজনে যাত্রা করিলেন। বহুক্ষণের নীরবতা ভঙ্গ করিয়া এইবার ভারতী কথা কহিল । জিজ্ঞাসা করিল, দাদা, আমরা কোথায় যাচ্চি ? অপূৰ্ব্ববাবুর বাসায়,—এই বলিয়া ডাক্তার গাড়ি হইতে মূধ বাড়াইয়া অন্ধকারে যতদূর দৃষ্টি স্বায় দেখিয়া লইয়া স্থির হইয়া বসিলেন। মাইল দুই নিঃশব্দে চলার পড়ে গাড়ি থামাইয়া ডাক্তার নামিতে উদ্যত হইলে ভারতী আশ্চৰ্য্য হইয়া জিজ্ঞাসা করিল, এখানে কেন ? ডাক্তার বলিলেন, এইবার ফিরি। ওঁরা অপেক্ষা করে বসে আছেন, একটা বোঝা-পড়া হওয়া ত চাই ! বোঝাপড়া ? ভারতী আকুল হইয়া তাহার হাত চাপিয়া ধরিয়া কহিল, সে কিছুতেই হতে পারবে না। তুমি সঙ্গে চল। কিন্তু কথাটা উচ্চারণ করিয়া সে সুমিত্রার মতই অপ্রতিভ হইল। কারণ ইহার বলা মানেই স্থির করিয়া বলা । এবং সংসারের কোন ভয়ই র্তাহাকে নিরস্ত করিতে পারিবে না । তথাপি ভারতী হাত ছাড়িম্বাও দিল না, ধীরে ধীরে কহিল, কিন্তু তোমাকে যে আমার বড় দরকার शांशतः । সে আমি জানি। অপূৰ্ব্ববাবু, আপনি কি পরশুর জাহাজে বাড়ি যেতে পারবেন না ? অপূৰ্ব্ব কহিল, পারবো। ভারতী হঠাৎ অত্যন্ত ব্যস্ত হইয়া উঠিল, কহিল, দাদা, এখনই আমাকে বাসায় যেতে হবে । ডাক্তার ঘাড় নাড়িয়া জবাব দিলেন, না । তোমার কাগজ-পত্র, তোমার পথের দাবীর খাতা, তোমার পিস্তল-টোটা সমস্তই এতক্ষণে নবতারা সরিয়ে নিয়ে গেছে। ভোর নাগাদ খান-তন্নাসী হবে,—আর্টিস্ট স্বয়ং সশরীরে,—তার ধেনে মদের বোতল আর তার সেই ভাঙ্গা বেহালাখানা—অপূৰ্ব্ববাবু, আপনার সেই বেহালাটার ওপর একটু দাবী আছে, না ? এই বলিয়া একটু হাসিয়া কহিলেন, এ ছাড়া ভয়ানক কিছু আর পুলিশ সাহেবের হাতে পড়বে না। কাল নটা-দশটা আন্দাজ বাসায় ফিরে রাধাৰাড়া খাওয়া-দাওয়া সেরে বোধ করি একটুখানি ঘুম দেবারও সময় পাবে ভারতী । রাজি দুটো-তিনটে নাগাদ দেখা পাবে -কিছু খাবার-দাবার রেখো। छांब्रउँौ अवांकि इश्बां ब्रश्णि। भटन वहन बलिण, ७धन ७कांख जखांश न इद्देष्ण কি এই মরণ-ষজ্ঞে কেহ সঙ্গে আসিতে চাহিত ? মুখে কছিল, তোমার চোখে কিছু Alyos