প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (ত্রয়োদশ সম্ভার).djvu/২৪৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


শরৎ-সাহিত্য-সংগ্ৰহ সেখানে গিয়ে তোমরা ত সরল, প্রকাগু ভাবেই তোমাদের উদ্বেগু-সিদ্ধির চেষ্টা করতে পারো । প্রশ্ন করিয়া ভারতী উত্তরের আশায় কয়েক মুহূর্ত অপেক্ষা করিয়া বলিল, অন্ধকারে তোমার মুখ দেখতে পাচ্ছিনে বটে, কিন্তু বেশ বুঝতে পারটি মনে মনে ভূমি হাসচে। কিন্তু তুমি এবং তোমার বিভিন্ন দলগুলিই ত শুধু নয়, আরও ধারা দেশের কাজে --তারা প্রবীণ, বিজ্ঞ, রাজনীতিতে ধারা,-আচ্ছা দাদা, কালকের বাঙলা धंबद्दब्रब्र कांग्रजप्लेों বক্তব্য শেষ হইল না,—ডাক্তার হাসিয়া উঠিয়া বলিলেন, রক্ষে কর ভারতী, আমাদের সঙ্গে তুলনা করে পূজনীয়গণের অমৰ্যাদা কোরো না। ভারতী কছিল, বরঞ্চ, তুমিই তাদের বিন্দ্রপ করচ। ভাক্তার সবেগে মাথা নাড়িয়া বলিলেন, মোটেই না । তাদের আমি ভক্তি করি এবং তাদের দেশোদ্ধারের বক্তৃতা আমাদের চেয়ে সংসারে কেউ বেশি উপভোগ করে না । ভারতী ক্ষুণ্ণ হইয়া কহিল, পথ তোমাদের এক না হতে পারে, কিন্তু উক্ষেপ্ত ত ७कहे । ডাক্তার ক্ষণকাল স্থির থাকিয়া বলিলেন, এতক্ষণ হাসছিলাম সত্যি, এবার কিন্তু রাগ করব ভারতী। পথ আমাদের এক নয় এটা জানা কথা, কিন্তু লক্ষ্য ৰে আমাদের তার চেয়েও অধিক স্বতন্ত্র এ কি তুমিও এতদিন বোঝনি ? পৃথিবীর বহু জাতিই স্বাধীন,—তার চেয়ে বড় গৌরব মানব-জন্মের আর নেই, সেই স্বাধীনতার দাবী করা, চেষ্টা করা ত ঢের দূরের কথা, তার কামনা করা, কল্পনা করাও ইংরেজের আইনে ভারতবাসীর রাজদ্ৰোহ । আমি সেই অপরাধেই অপরাধী। চিরদিন পরাধীন থাকাটাই এ দেশের আইন। সুতরাং, আইনের বাইরে এই সব প্রবীণ পূজ্য ব্যক্তিরা ত কোনদিন কোন কিছুই দাবী করেন না। চীনাদের দেশে মাঞ্ছরাজাদের মত এদেশেও যদি ইংরাজ আইন করে দিত—সবাইকে আড়াই হাত টিকি রাখতে হবে, তবে টিকির বিরুদ্ধে এর কোনমতেই বে-আইনি প্রার্থনা করতেন না। এরা এই বলে আন্দোলন করতেন যে, আড়াই হাত আইনের দ্বারা দেশের প্রতি অত্যন্ত অবিচার করা হয়েছে, এতে দেশের সর্বনাশ হয়ে যাবে, অতএব, একে সওয়া দু’হাত করে দেওয়া হোক । এই বলিয়া তিনি নিজের রলিকতায় উৎফুল্প হইয়া অকস্মাৎ অট্টহাস্তে নদীর অন্ধকার নীরবতা বিক্ষুৰ করিয়া জুলিলেন । इणि पांविप्न छांब्रडौ करिण, छूबि बारे ८कन बां षण, चांब्रां७८ष cश्रवद्र बवश ስ♥