প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (ত্রয়োদশ সম্ভার).djvu/৩০৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পৰেৱ জাৰী শুনিয়া সুমিত্রার মুখ ফ্যাকাশে হুইয়া গেল। খুব সম্ভব, ব্রজেজ এখন সিঙ্গাপুরে এবং যে ব্যক্তি তাহার সন্ধানে চলিল, তাহার দৃষ্টি হইতে স্বর্গে মর্ত্যে কোথাও তাহার পরিত্রাণ নাই। তখন বিশ্বাসঘাতকতার শেষ বিচারের সময় আসিবে। ইহার দও ষে কি তাহা দলের মধ্যে কাহারও অবিদিত নহে, সুমিত্ৰাও জানে। ব্রজেন্দ্র তাহার কিছুই নহে এবং অপরাধ যদি সে করিয়াই থাকে শাস্তি তাহার হৌক, কিন্তু যে কারণে স্বমিত্রা অকস্মাৎ এমন হইয়া গেল, তাহ ব্রজেক্সের দণ্ডের কথা স্মরণ করিয়া নহে, তাহা এই যে, ব্রজেন্দ্র পতঙ্গ নহে। সে আত্মরক্ষা করিতে জানে। শুধু তাহার পকেটের সুগুপ্ত পিস্তল নহে, তাহার মত ধূৰ্ত্ত, কৌশলী ও একান্ত সতর্ক ব্যক্তি সংসারে বিরল। তাহার মস্ত ভূল এই হইয়াছে ষে, ডাক্তার হাট-পথে বর্খা ত্যাগ করিয়া গেছেন এই কথা সে বাবার পূৰ্ব্বে নিশ্চয় বিশ্বাস করিয়া গেছে। এখন কোন মতে যদি সে ডাক্তারের খোজ পায় ত বধ করিবার স্বত কিছু অস্ত্র তাহার তুণে আছে প্রয়োগ করিতে মূহুর্তের দ্বিধাও করিবে না। বস্ততঃ জীবন মরণ সমস্তায় অপরের বলিবারই বা কি पभोटक्क ! কিছুই নাই। শুধু হীরা সিং-এর শান্ত মৃদ্ধ দুটি শৰ নাউ এবং ‘রেডি তাহাজের সকলের কানের মধ্যেই সহস্ৰগুণ ভীষণ হইয়া সহস্র দিক দিয়া আঘাত প্রতিঘাত করিয়া ফিরিতে লাগিল। ভারতীর মনে পড়িল তাহাজের মৌলমিনের বাটতে একদিন জয়তিৰি উৎসবের পরিপূর্ণ আনন্সের মাঝখানে অতিথি এবং সৰ্ব্বোত্তম বন্ধু রেভারেও লরেন্স আহারের টেবিলে হৃদরোগে মারা গিয়েছিলেন । আজিও ঠিক তেমনি অকস্মাৎ হীরা সিং ঘরে ঢুকিয়া মৃত্যুদূতের স্তায় একমুহূৰ্ত্তে সমস্ত লওভও করিয়া দিয়া বাহির হইয়া গেল । হঠাৎ শশী কথা বলিয়া উঠিল। মুখ দিয়া ফোস করিয়া একটা দীর্ঘনিশ্বাস ফেলিয়া কহিল, সব যেন ফাকা হয়ে যাচ্চে ভাক্তার। কৰাট সাদা এবং নিতান্তই মোটা। কিন্তু সকলের বুকের উপর যেন মৃগুরের ঘা মারিল । ডাক্তার হাসিলেন। শশী কহিল, হামুন আর যাই করুন, সত্যি কথা ! আপনি কাছে নেই মনে হলে সমস্ত যেন ব্ল্যাঙ্ক,—ফাকা ঝাপসা হয়ে আসে। কিন্তু আপনার প্রত্যেকটি হুকুম আমি মেনে চলবো। यथां ? স্বৰ, মদ খাবো না, পলিটিক্সে মিশবো না, ভারতীর কাছে থাকবে এবং কবিতা লিখবো । 最争建