প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (ত্রয়োদশ সম্ভার).djvu/৩১৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


মহেশ o গ্রামের নাম কাশীপুর। গ্রাম ছোট, জমিদার আরও ছোট তত্ত্ব দাপটে তারপ্রজার টু শব্দটি করিতে পারে না—এমনই প্রতাপ । ছোট ছেলের জন্মতিথি পৃঙ্গ। পূজা সারিরা তর্করত্ব দ্বিপ্রহরবেলায় বাটা ফিরিতেছিলেন। বৈশাখ শেষ হইয়া আসে, কিন্তু মেঘের ছায়াটুকু কোথাও নাই, অনাবৃষ্টির আকাশ হইতে যেন আগুন ঝরিয়া পড়িতেছে। সম্মুখের দিগন্তজোড়া মাঠখানা জলিয়া পুড়িয়া ফুটফাট হুইয়া আছে, আর সেই লক্ষ ফাটল দিয়া ধরিত্রীর বুকের রক্ত নিরস্তর ধুয়া হইয়া উড়িয়া যাইতেছে। অগ্নিশিখার মত তাহাদের সর্পিল উৰ্দ্ধ গতির প্রতি চাহিয়া থাকিলে মাথা ঝিম্ ঝিমৃ করে—ষেন নেশা লাগে । ইহারই সীমানায় পথের ধারে গফুর জোলার বাড়ি । তাহার প্রাচীর পড়িয়া গিয়া প্রাঙ্গণ আসিয়া পথে মিশিয়াছে ; এবং অন্তঃপুরের লজ-সন্ত্রম পথিকের করুণায় আত্মসমৰ্পণ করিয়া নিশ্চিন্ত হইয়াছে । পথের ধারে একটা পিটালি গাছের ছায়ায় দাড়াইয়া তর্করত্ন উচ্চকণ্ঠে ডাক দিলেন, ওরে, ও গফরা, বলি, ঘরে আছিস্ ? তাহার বছর-দশেকের মেয়ে দুয়ারে দাড়াইয়া সাড়া দিল, কেন বাবাকে ? বাবার cव छद्र ! জর ! ডেকে দে হারামজাদাকে পাযও ! ম্লেচ্ছ ! ইাক-ডাকে গফুর মিঞা ঘর হইতে বাহির হইয়া জরে কঁাপিতে কঁাপিতে কাছে আসিয়া দাড়াইল। ভাঙা প্রাচীরের গা ৰে গিয়া একটা পুরাতন বাবলা গাছ— তাহার ডালে বাধা একটা ষাড়। তর্করত্ব দেখাইয়া কহিলেন, ওটা হচ্চে কি গুনি ? এ হিদুর গা, ব্রাহ্মণ জমিদার, সে খেয়াল আছে ? তার মুখখানা রাগে ও রৌজের বাবে রক্তবর্ণ, সুতরাং সে মুখ দিয়া তপ্ত খরবাক্যই বাহির হইবে, কিন্তু হেতুটা বুঝিতে না পারিয়া গফুর শুধু চাহিয়া রহিল । তর্করত্ব বলিলেন, সকালে যাবার সময় দেখে গেছি বাধা, দুপুরে ফেরবার পখে দেখচি তেমনি ঠায় বাধা । গোহত্যা হলে যে কর্তা তোকে জ্যাম্ভ কবর দেবে। লে &श्-्ल बांश्रुत्र नव ! -