প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (ত্রয়োদশ সম্ভার).djvu/৩৯৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


শরৎ-সাহিত্য-সংগ্ৰহ কালের রথযাত্রার বাধা দূর করবার মহামন্ত্র তোমার প্রবল লেখনীর মুখে সার্থক হোক এই আশীৰ্বাদ সহ তোমার দীর্ঘ জীবন কামনা করি। ダ go শুভানুধ্যায়ী ब्रडॆौवनtषं **न এই উপরোক্ত বাণীটি ছাড়া রবীন্দ্রনাথ বাক্তিগতভাবেও শরৎচন্দ্রকে ঐদিন আর একটি পত্র দিয়েছিলেন। এখানে তা উদ্ধৃত হোল : কল্যাণীয়েষ্ণু-সম্প্রতি সাংসারিক বিশেষ দুর্যোগ না থাকলে আমি নিশ্চয়ই তোমার অভিনন্দন সভায় যোগ দিতুম। এমন কি শারীরিক অস্বাস্থ্য ও দুর্বলতাও বাধা ঘটাত না । প্রাচীনকালে আৰ্য্যদের ঘরে অগ্নিগৃহ থাকত সেখানে পবিত্র অগ্নিকে যত্ন করে জালিয়ে রাখা হোত, নিবতে দ্বিত না । সাহিত্যে ধারা কীর্তিশালী, দেশের চিত্তভবনে সেই পুণ্য অগ্নি অনির্বাণ রাখার কাজ তাদেরই। তোমার প্রতিভার দ্বারা দেশের হৃদয়কে তুমি জয় করেচ, দেশের গভীর অস্তরে তোমার প্রবেশধিকার। তোমার লেখনী বাঙালীর চিত্ততত্ত্বকে হাসি ও অশ্রর নবতর ও গভীরতর ব্যঞ্জনায় অভিব্যক্ত করে তুলেছে ? যেখানে তার মনোমন্দিরে চিরন্তরের পূখ্য বেদিক, সেইখানে তোমার জীবনের শ্রেষ্ঠ অর্থপ্রদীপ বাংলা সাহিত্যের জ্যোতিঃ শিখায় দীর্ঘ আয়ু সঞ্চার করবার জন্য প্রতিষ্ঠিত থাকবে, এই কথা জেনে জামার কর্মাবসানের পশ্চিমঘার থেকে তোমাকে অভিনন্দন জানিয়ে বিদায় গ্রহণ कवि । ইতি—৩১শে ভাত্র, ১৩৩৯ তোমাদের তীরবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [ ঐউমাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে লেখা ] সামতগবেড়, পানিজ্বাস পোস্ট, জেলা হাওড়া কল্যাণবরেষু—তোমার চিঠি পাইলাম। আমি শয্যাগত হইয়াই পড়িয়াছিলাম। এখন ভাল হইয়াছি। ‘পথের দাবী'র শেষ অধ্যায়টা যদি দেখানো প্রয়োজন জ্ঞান কর ত দেখাইয়ো । এখনো আমার ত-নিমন্ত্রণের আবঙ্গকতা নেই— এতয়ে যে কোন প্রিয়জন কষ্ট স্বীকার করিয়া যদি আসেন সত্যই খুনী হুই ।