প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (দশম সম্ভার).djvu/৩৬৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


দিন-কক্সেকেন্দ্র ভক্ষণ-কাহিনী নলিনী,—তোমার যাবার পরে জামি ভাবিয়া দেখিলাম যে, দিন-কয়েক यांश्टिद्र बांeब्रांब्र अछूशं८७ अषषं-बूखांख cनथांद्र विश्लश थां८छ् । यथय, ७ई जांडौब লেখা আমার আসে না ; অনধিকার-চর্চা অপরাধে আমার পরম স্নেহাস্পদ প্রমান জলধর ভায়া হয়ত রাগ করিবেন। লোকেও অপবাদ দিয়া বলিবে, এ শুধু তাহার নৈহাট ও বরানগর ভ্রমণ-বৃত্তান্তের নিছক নকল। দ্বিতীয় বিপদ প্রযুক্ত প্রমথ চৌধুরী মহাশয়। কারণ, আমি যদি বলি, দিল্লীতে এবার রেলওয়ে স্টেশন দেখিয়া আসিলাম, তিনি হয়ত কাগজে প্রতিবাদ করিয়া বলিবেন, ঔপন্যাসিক শরৎচন্দ্র উপন্যাস লিখিয়াছেন । দিল্লীতে স্টেশন বলিয়। কোন-কিছুই নাই, ওখানে রেলগাড়িই যায় না। অতএব, মুদ্ধিল বুঝিতেই পারিতেছ। তবে, গোটাকয়েক নিজের মনের কথা বলা যাইতে পারে। চৌধুরী-মশায় উপন্যাস বলিলেও দুঃখ নাই, শ্ৰীমান রায়বাহাদুর ভায় ভ্রমণ-বৃত্তাস্ত নয় বলিলেও আপশোষ হইবে না। আমার যাওয়ার ইতিহাস এই প্রকার। প্রায় মাসখানেক পূৰ্ব্বে বন্ধুরা একদিন বলিলেন, দেশোদ্ধার করিতে অনেকে দিল্লী কংগ্রেসে যাইতেছেন, তুমিও চল । অস্বীকার করিয়া ফল নাই জানিয়া রাজি হইলাম । ভরসা ছিল, অন্তান্ত বারের মত এ-বারেও ঠিক যাইবার দিন পেটের অমুখ করিবে । কিন্তু এ-বার তাহার এরূপ দৃষ্টি রাখিলেন যে, তাহার সুযোগই ঘটিল না ; রওনা ছইতে হইল। সন্ধ্যা নাগাদ আমার প্রবাসের বাহন ভোলার স্বন্ধে আত্মসমর্পণ করিয়া মেল ট্রেনে চাপিয়া বসিলাম। ট্রেনের ইতিহাস সংক্ষিপ্ত। আফিমের ঘোরে সারারাত্রি ধরিয়া আমি তামাক খাইলাম, এবং আমার একমাত্র অপরিচিত সহযাত্রী আমাশার বেগে আলো জালাইয়া সারারাত্রি ধরিয়া পায়খানা গেলেন । ভোর নাগাদ আমিও শ্রান্ত হইয়া পড়িলাম, তাহারও হাত-পা শক্ত অবশ হইয়া আসিল । সুতরাং আলো নিবাইয়া উভয়েই কিয়ংকাল নিদ্ৰা দিলাম। সকালে কোন একটা স্টেশনে নামিবার সময় জলের সোরাইট আমার তিনি দিলেন ভাঙ্গিয়া, এবং উহার টাইমটেবলটা আমি রাধিলাম বালিশের নীচে চাপিয়া । অতঃপর বাকী পথটা একাকী নিরুপজবে কাটিল, অবিশ্রাম তামাক খাইয়া, গাড়ির ফুলকাটা সাদা ছাতটা পৰ্য্যন্ত কালো করিয়া দিলাম । ve&e