প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (দ্বাদশ সম্ভার).djvu/১৬৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


*ब्र९-नांहिंॐा-न२¢ई প্তার জবাব পাইনি। ভগবানের চরণে বারবার জানিয়েচি, ঠাকুর, তোমার আজান তে কিছুই নেই। এতবড় নিৰ্ম্মম জিজ্ঞাসা আমার জীবনে তুমিই পাঠিয়েচ। তার জন্য তোমাকে অভিযোগ করবো না, শুধু এর সত্য উত্তরটাও তুমি এই জীবনে আমাকে দিয়ে দিও। এ-ছাড়া প্রার্থনার আর কিছুই তো রাখিনি! যত বৃহৎ দুঃখই দাও না কেন, আমি তাকে তোমার হাতের দান বলে মেনে নিয়ে সোজা হয়েই চলতে পারতাম। কিন্তু আমার জীবনে তো তুমি দুঃখ পাঠাওনি ; পাঠিয়েচে শুধু তীব্র পরিহাস। মানুষের পরিহাস সওয়া কঠিন নয়, কিন্তু তোমার এ নিষ্ঠুর পরিহাস যে जक्ष इङ्ग ना ! বিমলবাবুর আনন্দসৌম্য মুখে একটা কঠিন বেদনাভূতির ছায়া নিবিড় হইয়া উঠিল। তিনি একটিও কথা কহিলেন না, অন্য একদিকে দৃষ্টি মেলিয়া স্থিরভাবে দাড়াইয়া রহিলেন। সে দৃষ্টি যেন ইহলোক হইতে লোকাস্তরে নিরদিষ্ট । অনেক সময় কাটিয়া গেল। সবিতা অস্ফুট মৃদুস্বর ডাকিলেন, দয়াময়। বিমলবাবু ফিরিয়া চাহিয়া স্নেহস্নিগ্ধ গাঢ়কণ্ঠে উত্তর দিলেন, নতুন-বোঁ । সবিত হঠাৎ চমকিয়া উঠিলেন। মুখে উদ্বেগ ও বেদনার চিহ্ন ফুটিয়া উঠিল । বিমলবাবুর মুখের পানে পূর্ণ দৃষ্টিতে তাকাইয়া সামুনয়-কণ্ঠে বলিলেন, একটি কথা বলবো ? বলে, কিছু মনে করবে না ? বিমলবাবু সবিতার কথায় সহসা কোনও উত্তর দিতে পারিলেন না। অল্পক্ষণ নীরব থাকিয়া ধীরে ধীরে বলিলেন, নতুন-বোঁ, আজ তুমি কিছু মনে করার ধাপ উত্তীর্ণ হয়ে উপরে উঠতে পারোনি, জানতাম না। কিন্তু থাক সে-কথা, কি বলতে চাও বলো, কিছু মনে করবো না । নতদৃষ্টি সবিতা বলিলেন, তুমি আমাকে নতুন-বে বলে ডেকো না। বিমলবাবু কিছুক্ষণ সবিতার পানে তাকাইয়া থাকিয়া শাস্ত-স্বরে বলিলেন, তাই হৰে । এবার মুখ তুলিয়া বিমলবাবুর পানে চাহিতে দেখা গেল সবিতার মুলার চোখ ছুটি শিশিরসিক্ত পদ্মপাপড়ির মত অশ্রুভারে টলমল করিতেছে । বিমলবাবুকে কি-একটা কথা বলিতে গিয়া বলিতে পারিল না, বাধিয়া গেল। বিমলবাবু তাহ লক্ষ্য করিলেন। প্ল্যাটফর্মের উপর হইতে কামরার মধ্যে উঠিয়া আসিয়া সবিতার সামনের বেঞ্চে বসিলেন। তারপরে মেহকোমল অথচ সম্ৰমপূৰ্ণ স্বরে বলিলেন, তোমাকে নাম ধরে ডাকার অধিকার আমার দিতে পারবে কি তুমি ? সঙ্কোচ ক’রো না। যদি কোনও ৰাধা থাকে, একটুও আমি দুঃখিত হবে না জেনে । শুধু বলে দিও, কি বলে ডাকলে 》役护