প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (দ্বাদশ সম্ভার).djvu/১৭৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


अब्र६-नांहिंड)-ज९6यह সারা আসেনি। তোমার নতুন-মা বললেন, তার যাওয়ার উপায় নেই। আমাকে বলে গেলেন, সারদা একা থাকলো, মাঝে মাঝে তার খোজ-খবর নিও। তাই মাঝে মাঝে তার খবর নিতে যাই । রাখাল পুনরায় প্রশ্ন করিয়া বলিল, সারদা কেন হরিণপুরে গেল না, জানেন কি ? বিমলবাবু বলিলেন, সারাকে জিজ্ঞাসা করে শুনলাম, মালিকের হুকুম ভিন্ন এ-বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র নড়বার তার উপায় নেই। রাখাল বিমূঢ়ভাবে বলিয়া ফেলিল, কে মালিক ? বিমলবাবু উত্তর দিয়াছিলেন, ঠিক জানি না। হয়তো তার নিরুদিষ্ট স্বামী বলেই बहन हब्र । রাখাল মূদ্রিত-চক্ষে পার্কের বেঞ্চে গুইয়া এস্প্ল্যানেডে বিমলবাবুর সহিত সাক্ষাং ও কথাবাৰ্ত্তাগুলি পুঙ্খানুপুঙ্খ চিন্তা করিতে লাগিল । সারদা হরিণপুরে নতুন-মার সহিত কেন গেল না ? বলিয়াছে মালিকের হুকুম ব্যতীত তাহার অন্যত্র যাওয়ার উপায় নাই। সে মালিক কে ? বিমলবাবু কিংবা আর কেউ সারদার নিরুদিষ্ট স্বামী জীবনবাবুকে সেই ব্যক্তি অধুমান করুন না কেন—একমাত্র রাখাল নিজে নিশ্চিতরূপে জানে, আর যাহাকেই সারদা তাহার মালিক বলিয়া নির্দেশ করুক, পলায়িত বিশ্বাসঘাতক জীবন চক্রবর্তীকে কখনই করে নাই! বুঝিতে কিছুই তাহার বাকী রহিল না। তবুও রাধালের মনের মধ্যে কোথায় যেন কি একটা বিরোধ বাধিতে লাগিল এগারোটা বাজিলে পার্কের রক্ষক আসিয়া রাখালকে উঠিয়া যাইতে অনুরোধ করিল। উঠিয়া ভারাক্রান্ত মনে সে বাসায় যখন পৌঁছিল তখন সাড়ে এগারোটা বাজিয়া গিয়াছে। বিছানায় গুইয়া ঘুমাইবার পূৰ্ব্বে মনে মনে স্থির করিয়া ফেলিল - কাল সকালে উঠিয়াই সারদার সহিত একবার সাক্ষাং করিয়া আসিবে। চা বাসায় খাইবে না। সারদাকেই চা তৈয়ারী করিয়া দিতে বলিবে । এই সিদ্ধান্তে উপনীত হইবার পর রাখাল মনে মনে অত্যন্ত স্বাঞ্ছদ্য বোধ করিতে লাগিল। তারপর নানারূপ অসম্ভব কল্পনা করিতে করিতে ঘুমাইয়া পড়িল ।