প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (দ্বাদশ সম্ভার).djvu/২৭১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


শেষের পরিচয় भरेिऊा श्हिनबान सूभडिउ बषबाबूद गारन उाकारेशा निरवद्र छात्र {ाज़ारैश রছিলেন । - স্বীর্ঘ প্ৰণাম জন্তে উঠিয়া ব্ৰজবাবু সবিতা ও বিমলবাবু-সহ মন্দিরের অন্যদিকে গিয়া দাড়াইলেন। ব্ৰজবাবুর চেহারার পবিত্ত্বন হইয়াছে। মুখমণ্ডল ও মন্তক ক্ষেীর-মুণ্ডিত। শীর্ষে ছংখবল শিখাগুচ্ছ ছাড়া কেশের চিহ্নমাত্র নাই। কণ্ঠে তুলসীকাঠের গুচ্ছবদ্ধ মালা । নাসিকা ও ললাটে তিলকরেখা, হাতে হরিনামের ঝুলি, গায়ে নামাবলী। গৌরবর্ণ शैर्षझ्न नश् ८ब्रोजनश उाशाह श्यां दाईकाडारब नयूथं अtनकझे नऊ इहेबां পড়িয়াছে। বিমলবাবুর কুশল প্রশ্নের উত্তরে ভাবগাঢ়-কণ্ঠে ব্ৰজবাবু বলিলেন, বিমলবাবু, গোবিদ এই দীনহীনকে অনেক কৃপা করেছেন । যে-জন ব্রজধামে এসেচে, ব্রঙ্গরেণু মেখেচে, যমুনায় অবগাহন করে গুমকুণ্ড রাধাকুও গিরিগোবৰ্দ্ধন দর্শন স্পর্শ করেচে, তার কি আর কোনও অকুশল থাকে ? বৃন্দাবনে সবই কুশল । ইহলোকে আর আমার কোনও কামনাই নাই। এখানে আমি কৃষ্ণানন্দে বিভোর হয়ে আছি । সবিতা অগ্রসর হইয়া আসিয়া বলিলেন, রাজুর কাছে শুনেচি তুমি এখানে নাকি কোন বৈষ্ণব বাবাজীর আখড়ায় দীক্ষা নিয়েছে ? সদাসৰ্ব্বদা বোধ হয় তাদের নিয়েই মেতে আছো মেজকর্তা ? আমতা আমতা করিয়া ব্ৰজবাৰু বলিলেন, তা কতকটা বটে। কি জানো নতুন-বোঁ, আমার শেষের দিনগুলি গোবিন্দ তার চরণ-ছায়ায় টেনে এনে বড় করুণাই করেচেন । এখানে সংসারের সকল দুঃখ-তাপ সত্যিই জুড়িয়েচি ! সবিতা গুণ্ডিত বিস্ময়ে ব্ৰজবাবুর পানে তাকাইয়া বলিলেন, মেজকর্তা, এ যে তোমার রেসে হেরে সর্বস্বাস্ত হয়ে মদের নেশায় মশগুল থাকা । এ আনন্দের দাম fক তা জানো ? মন্দিরের অস্তুধারে খোল-করতাল যোগে একদল কীৰ্ত্তনীয়া গাহিতেছিল— “প্রেমানন্দে ডগমগ স্বধার সাগরে ডুবিয়া ডুবিয়া পিয়ে তৃপ্তি না সঞ্চারে। इक्ष्s <थों*, क्लष थन, क्लक उड्र-यन, কৃষ্ণ যে মুখের নিধি পরম রতন । কুল, শীল, ধৰ্ম্ম, কৰ্ম্ম, লোকলজ্জা, ভয়, দেহ গেহ সম্পদ ষে নাহি কি আছয়, মদিরা-মদাপ্ত যেন কটির বলল আছে কি না আছে তারা নাহি বিবেচন।" ३è}