প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (দ্বাদশ সম্ভার).djvu/৩৮৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পত্র-সঙ্কলন এই ছাচে ঢালা । শেষ করে একটা আনন্দ হয়—শেষ করে মনের মধ্যে gloomy ভাব আসে না। তোমাদের হরিদাসবাবুর মত যেন লোকে মন্তব্য প্রকাশ করে "রামের মুমতির নারায়ণীর মত একটি স্ত্রী পেতে ইচ্ছা করে”। এই সমালোচনাই সব চেয়ে শ্রেষ্ঠ সমালোচনা। ভাল কথা—'ক্ষুদ্রের গৌরব’ ‘ছায়া বিচার' ওসব কি ? আমার ত একটুও মনে নেই। তোমাদের সমাজপতির সম্বন্ধে ওসব কেচ্ছার ব্যাপারটা কি ? তোমাদের ভারতবর্ষের জন্য আমি অভাজন কি করতে পারি ভাই ? অত বড় বড় কৃতবিদ্য লোক রয়েছেন তার ওপরে আমি কি করব ? তবে এক-আধটা প্রবন্ধ বা গল্প লিখে দিতে পারি ; তাও সত্যি সত্যি ভয় হয় প্রমথ, হয়ত বা ফেরত আসবে। ঐ লজ্জাতেই আমার যেন হাত-পা আড়ষ্ট হয়ে থাকে। আচ্ছা বিন্দুর ছেলে পড়ে যদি এমন সাহস তুমি দাও যে ওটা তোমাদের ভারতবর্ষে পাঠালেও নিশ্চয় ছাপা হোতে, তা হলে নিজের ওজন বুঝে দেখবার চেষ্টা করব। এই কথা দিলাম। তবে আমি ভাই অশ্রদ্ধা করে, যা-তা লিখে দিতে পারব না। নিজের অস্ততঃ চলনসই মনে না হ’লে পাঠাইনে। তোমরা ফণীকে দেখতে গিয়েছিলে শুনে বড় স্বর্থী হোলাম। এই ত বন্ধুর মত কাজ ! আমার কলিকাতা যাওয়া সম্বন্ধে পূৰ্ব্বপত্রে লিখেছি। তবে কি জানো ভাই সাহিত্য অবলম্বন করতে আমার ভারী লজ্জা করে। ওটা যেন উস্থত্তির সামিল হয়ে দাড়িয়েছে। কাথাও একটা ৪০। ৩২ টাকার চাকরি যোগাড় ক’রে দিতে পার ত যাই! আমার Govt. service বলে একটুও মায়া নাই। এ শালার অফিস রাস্তার কুলিগিরির অধম। আমার ইচ্ছে করে, চাকরি ক’রে পেটের ভাতের যোগাড় ক’রে সাহিত্য সেবা করে যদি দু’পয়সা পাই ত বই কিনি। আমার বিস্তর বই পুড়ে যাবার পরে এই আকাঙ্ক্ষাটাই আমার বড় প্রবল । আমার চরিত্রহীন’ বোধ হয় modified হ’য়ে আশ্বিন কাৰ্ত্তিক থেকে বেরুবে। ততদিনে চন্দ্রনাথ শেস হবে । স্থা ভাল কথা । আমি কলিকাতা এবং আরো দু-এক জায়গা থেকে ভারতবর্ষের সম্বন্ধে মতামত পেয়েছি। সত্যি কেউ সন্তুষ্ট হয়নি। সকলেই লিখেছে—ওঁদের মধ্যে পছন্দ' ব’লে যে একটা জিনিস আছে তা নমুনা দেখে মনে হয় না। কিন্তু তারা ত ভেতরের কথা জানেন না। দ্বিতীয় issue দেখে তাদের মত ফিরবে ব’লেই আশা করি। ভারতবর্ষে প্রথমে বিপুল আয়োজন করে, দ্বিজুবাবুর সম্পাদকতায় বার ዴዔ ©