প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (দ্বিতীয় সম্ভার).djvu/১৯২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


अिप्ले६-अिनश्७ि]-अि१ुझ् ধরং কেমন করিয়া তাহার যেন নিশ্চিত ধারণ জন্সিয়াছিল, তাহার একান্ত অনুরোধ রম কিছুতেই প্রত্যাখ্যান করিতে পারিবে না। রমা মুখ তুলিয়াই বোধ করি রমেশের অবস্থাটা অনুভব করিল। কহিল, তা ছাড়া, বিষয় আমার ভাইয়ের, আমি অভিভাবক মাত্র। রমেশ কহিল, না, অৰ্দ্ধেক তোমার । রমা বলিল, শুধু নামে। বাবা নিশ্চয় জানতেন সমস্ত বিষ্য যতীনই পাবে , তাই অৰ্দ্ধেক আমার নামে দিয়ে গেছেন। তথাপি রমেশ মিনতির কণ্ঠে কহিল, রম, এ ক’টা টাকা ? তোমার অবস্থা এ-দিকের মধ্যে সকলের চেযে ভাল । তোমার কাছে এ ক্ষতি ক্ষতিই নয়, আমি মিনতি করে জানাচ্চি রম, এব জন্যে এত লোকের অন্নকঃ করে দিও না। যথার্থ বলচি, তুমি যে এত নিষ্ঠুর হতে পার, আমি তা স্বপ্নেও ভাবিনি। রুমা তেমনি মৃদুভাবে জবাব দিল, নিজের ক্ষতি করতে পারিনি বলে যদি নিষ্ঠুর হই, না হয় তাই। ভাল, আপনার যদি এতই দয়া, নিজেই না হয় ক্ষতিপূরণ করে দিন না । তাহার মৃদুস্বরে বিদ্রপ কল্পনা করিয়া রমেশ জলিয়া উঠিল। কহিল, রম, মানুষ খাটি কি না, চেনা যায শুধু ঢাকার সম্পর্কে। এই জায়গায় নাকি ফাকি চলে না, তাই এখানেই মামুধের যথার্থ রূপ প্রকাশ পেয়ে উঠে। তোমারও আজ তাই পেল। কিন্তু তোমাকে আমি এমন করে ভাবিনি । চিবকাল ভেবেচি তুমি এর চেয়ে অনেক উচুতে, কিন্তু তুমি তা নও। তোমাকে নিষ্ঠুর বলাও ভুল। তুমি নীচ, অতি ছোটো । অসহ বিস্ময়ে রমা দুই চক্ষু বিফারিত করিয়া কহিল, কি আমি ? রমেশ কহিল, তুমি অত্যন্ত হন এবং নীচ। আমি যে কত ব্যাকুল হয়ে উঠেছি সে তুমি টের পেয়েচ বলেই আমার কাছে ক্ষতিপূরণেব দাবী করলে। কিন্তু বড়দাও মুখ ফুটে একথা বলতে পারেননি , পুরুষমানুষ হয়ে তার মুখে যা বেধেচে, স্ত্রীলোক হয়ে তোমাব মুখে তা বাধেনি। আমি এর চেয়েও বেশী ক্ষতিপূরণ করতে পরি—কিন্তু একটা কথা আজ তোমাকে বলে দিচ্ছি রম, সংসারে যত পাপ আছে, মামুষের দয়ার উপর জুলুম করাটা সবচেযে বেশী। আজ তুমি তাই করে আমার কাছে টাকা আদায়ের চেষ্টা করেচ । রমা বিহ্বল হতবুদ্ধির ন্তায় ফ্যালফ্যাল করিয়া চাহিয়া বহিল, একটা কথাও তাহার মুখ দিয়া, বাহির হইল না। রমেশ তেমনি শাস্ত, তেমনি দৃঢ়কণ্ঠে কহিল, আমার দুৰ্ব্বলতা কোথায় সে তোমার অগোচর নেই বটে, কিন্তু সেখানে পাক দিয়ে আর এক বিদুরস পাবে না, তা বলে দিয়ে যাচ্ছি। আমি কি করব, তাও এই সঙ্গে ويا مطاوز