প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (নবম সম্ভার).djvu/৩২৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


শরৎসাহিত্য-সংগ্রই করতে পারত না । মহাপ্রভুর শাসন কি অক্ষয় কবচের মতই যে তার মনটিকে অহৰ্নিশ ঘিরে রক্ষে করত, আমার এমন তীয় শুলও থান খান হয়ে পড়ে গেল। একটুখালি স্নান হেসে বললেন, কেমন অন্তমনস্ক হয়ে পড়ে ফেলেছিলুম সদ্ধ, पञांभांरक भां★ कन्नु । এই প্রথম তিনি আমাকে নাম ধরে ডাকলেন । বললুম, মিথ্যে কথা । তা হলে আমার চিঠি আমাকে দিতে। কেন এ খবর লুকিয়েচ, তাও জানি । তিনি বললেন, শুধু দুঃখ পেতে বই ত না ! তাই ভেবেছিলুম, কিছুদিন পরে তোমাকে জানাব । বললুম, কেমন করে তুমি হাত গোণে, সে আমার জানতে বাকি নেই। তুমিই কি বাড়িগুদ্ধ সবাইকে আমার পিছুনে গোয়েন্দা লাগিয়েচ ? স্পাই! ইংরেজমহিলারা এমন স্বামীর মুখ পৰ্য্যন্ত দেখে না, তা জানো ? ওরে হতভাগী ! বল, বল, যা মুখে আসে বলে নে । শাস্তি তোর গেছে কোথায়, সবই যে তোলা রইল । স্বামী স্তন্ধ হয়ে বসে রইলেন, একটা কথারও জবাব দিলেন না । এখন ভাবি, এত ক্ষমা করতেও মানুষে পারে । কিন্তু আমার ভেতরে যত গ্লানি, যত অপমান এতদিন ধীরে ধীরে জমা হয়ে উঠেছিল, একবার মুক্তি পেয়ে তারা কোনমতেই আর ফিরতে চাইল না । একটু থেমে আবার বললুম, আমি হেঁসেলে ঢুকতে— তিনি একটুখানি যেন চমকে উঠে মাঝখানেই বলে উঠলেন, উঃ, তাই বটে ! তাই আমার খাবার ব্যবস্থাটা আবার— বললুম, সে নালিশ আমার নয়। বাঙালীর ঘরে জন্মেচি বলেই যে তোমরা খুঁচে খুঁচে আমাকে তিল তিল করে মারবে, সে অধিকার তোমাদের আমি কিছুতেই দেব না, তা নিশ্চয় জেনে । আমার মামার বাড়িতে এখনো ত রান্নাঘরটা বাকি আছে, আমি তার মধ্যেই আবার ফিরে যাব । কাল আমি যাচ্ছি। স্বামী অনেকক্ষণ চুপ করে বসে থেকে বললেন, যাওয়াই উচিত বটে। কিন্তু তোমার গয়নাগুলো রেখে যেয়ে । 曾 শুনে অবাক হয়ে গেলুম। এত্ব হীন, এত ছোট স্বামীর স্ত্রী আমি ! পোড় মুখে হঠাৎ হাসি এল। বললুম, সেগুলো কেড়ে নিতে চাও ত, বেশ, আমি cब्राषहे पांव । ■ ৩১৬