প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (পঞ্চম সম্ভার).djvu/২৩৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পরিণীত কি হতে পারে না ? গায়ে দেবে না ! শেখর তাড়াতাড়ি বলিয়া উঠিল, না না, সে-কথা নয়—ও অন্ত কথা। আচ্ছা ললিতা, মার জিনিস-পত্ৰ গোছান হয়েছে কি না জানো ? ললিতা কহিল, জানি, দুপুরবেলা আমিই সে-সমস্ত গুছিয়েদিয়েছি, বলিয়া সে আর একবার সমস্ত দ্রব্য ভাল করিয়া পরীক্ষা করিয়া চাবি বন্ধ করিতে লাগিল । শেখর ক্ষণকাল চুপ করিয়া তাহার দিকে চাহিয়া মুম্বকণ্ঠে জিজ্ঞাসা করিল, ই ললিতা, আসচে বছর আমার উপায় কি হবে বলতে পার ? ললিত চোখ তুলিয়া বলিল, কেন? কেন আমিই টের পাচ্চি ভাই, বলিয়া ফেলিয়াই নিজের কথাটা চাপ দিবার জন্য শুল্কমুখে প্রফুল্লতা টানিয়া আনিয়া বলিল, কিন্তু পরের ঘরে যাবার আগে কোথায় কি আছে না আছে আমাকে দেখিয়ে দিয়ে যেয়ো—নইলে দরকারের সময় কিছুই খুজে পাব না । ললিতা রাগিয়া বলিল, যাও— শেখর এতক্ষণে হাসিল, বলিল, যাও ত জানি, কিন্তু সত্যই উপায় হবে কি ? আমার সখ ত আছে ষোল-আনা, কিন্তু এক কড়ার শক্তি নেই। এ-সব কাজ চাকর দিয়েও হয় না—এখন থেকে দেখচি, তোমার মামার মত হব—এক কাপড় এক চাঁদর সম্বল করে—যা হয় তাই হবে ! ললিত চাবির গোছাট মেঝের উপর ফেলিয়া দিয়া ছুটিয়া পলাইয়া গেল । , শেখর চেচাইয়া বলিল, কাল সকালে একবার এসে । e ললিতা শুনিয়াও শুনিল না, দ্রুতপদে সিড়ি বাহিয়া দোতলায় নামিয়া গেল। বাড়ি গিয়া দেখিল, ছাদের এক কোণে চাদের আলোয় বসিয়া আন্নাকালী একরাশ গাদাফুল লইয়া মালা গাঁথিতেছে। ললিতা তাহার কাছে গিয়া বসিয়া কহিল, হিমে বসে কি করছিস্ কালী ? কালী মুখ না তুলিয়াই বলিল, মালা গাঁথচি–আজ রাত্তিরে আমার মেয়ের বিয়ে । কই, আমাকে বলিস্নি ত? ঠিক ছিল না সেজদি। এখন বাবা পাজি দেখে বললেন, আজ রাত্তির ছাড়া আর এ মাসে দিন নেই। মেয়ে বড় হয়েচে, আর রাখতে পারিনে, যেমন-তেমন করে বিদেয় করছি। সেজদি, দুটে টাকা দাও না, জলখাবার জানাই । ললিত হাসিয়া বলিল, টাকার বেলায় সেজদি । যা, আমার বালিশের আছে, নিগে যা। ই রে কালী, গাদাফুলে কি বিয়ে হয় ? . . कॉलैौ शंखैौब्रडांप्य दजिल, श्झ । अञ्च पूल न ८*ष्ण श्छ । चांमेिं कङgणां 象之*