প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (প্রথম সম্ভার).djvu/৪১৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


न्वज्रन्हिन्हि "বড়দিদি" ১৩১৪ সালের বৈশাখ থেকে আষাঢ় সংখ্যা পর্য্যন্ত সরলা দেবী সম্পাদিত 'ভারতী’ পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয় । প্রথম দুই সংখ্যায় লেখকের নাম মুদ্রিত হয় নি । ১৩২০ সালে (৩০ শে সেপ্টেম্বর ১৯১৩ খ্ৰী: ) পুস্তকাকারে প্রকাশিত হয়। এইটি শরৎচন্দ্রের মুদ্রিত পুস্তকগুলির মধ্যে প্রথম। প্রকাশ করেন যমুনা সম্পাদক ফণীন্দ্রনাথ পাল । ২০ জানুয়ারী ১৯১০ খ্ৰীঃ শরৎচন্দ্রের গ্রন্থাবলী’র দ্বিতীয় খণ্ডের অস্তভুক্ত হয়ে প্রকাশিত হয় ! প্রথম নাম ছিল ‘শিশু’–পরে বড়দিদি" নামে পরিবৰ্ত্তিত করা হয় । - সৌরীন্দ্রমোহন মুখোপাধ্যায় শরৎচন্দ্রের জীবন-রহস্ত’-এ লিখেছেন : “আমার কাছে ছিল শরৎচন্দ্রের লেখা বড়দিদির কপি । সরলা দেবীকে সেটি পড়তে দিলুম। পড়ে তিনি মুগ্ধ হলেন, বললেন- চমৎকার । এটি দাও ভারতী'তে ছাপতে। এক ংখ্যায় শেষ না করে তিন-চার সংখ্যায় শেষ করে । লেখকের নাম প্রথমে চেপে রেখো—শেষের সংখ্যায় লেখকের নাম প্রকাশ করো Commercial stunt বুঝলে । লোকে ভাববে রবীন্দ্রনাথের লেখ । এ-লেখার জোরে আমাদের দেরির খেসারৎ হয়ে যাবে খন।” কিন্তু শরৎচন্দ্র নিজে 'বড়দিদি" সম্পর্কে বলেছেন : “তবে, ওটা বাল্যকালের রচনা, ছাপানো না হইলেই বোধ করি ভাল হইত।’ ‘শরৎ-পরিচয়” গ্রন্থে সুরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় লিখেছেন : “শ্ৰীজ্ঞানেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় ভাগলপুরে এলেন হাকিম হোয়ে। আমাদের সাহিত্য-সংঘের সভায় মাসে একদিন কোরে শরৎচন্দ্রের যে-সব লেখা আমার জিন্মায় ছিল তা পড়া হোত। শরৎচন্দ্রের এই লেখা ( বড়দিদি ) খুব ভাল লাগাতে জ্ঞানেন্দ্রবাবু বললেন, রামানন্দবাবুর সঙ্গে তার বিশেষ আলাপ থাকলে সে কাজ তিনি সিদ্ধ করতে পারেন। * * * আনন্দে খাতা থেকে নকল করতে লেগে গেলাম। দুটো খাত হোয়ে গেল । লেখা শেষ হলে জ্ঞানবাবু পূজোর ছুটিতে বাড়ি গেলেন। পুজোর ছুটির পর তিনি বদলি হওয়াতে আর ভাগলপুরে ফিরে এলেন না । ‘প্রবাসী’তে লেখা বার হয়নি।--x “কিছুদিন পরে পরম বন্ধু শ্ৰীমান ভট্টার্জি (বিভূতি ভট্ট ) চিঠি দিলেন। লেখা কিন্তু তার নিজের হাতের নয়। তারপর সৌরীন ভায়ার এক চিঠি তাদের কাগজে ( ভারতী ) ‘বড়দিদি বার হোয়েছে। শীঘ্র বাকিটা পাঠাও। শরৎচন্দ্রকে চিঠি দিলাম । উত্তর এলো "অগত্যা”। মনে হয়, বিভূতিভূষণ ও নিরুপনা দেবী চিঠি দেওয়াতে শরৎচন্দ্র তাদের অমুরোধ এড়াতে পারেন নি।** “প্রবাসী" কাগজ থেকে বড়দিদি প্রত্যাখ্যাত হোয়ে লেখাটি স্বৰ্গীয়া সরলা দেবীর হাতে যায়। তিনি সৌরীশ্রমোহন মুখোপাধ্যায়ের এবং মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়ের 8 * \ô