প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (সপ্তম সম্ভার).djvu/২৯৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বিন্দুর ছেলে * হইয়া জোর করিয়া হাসিয়া বলিল, না দিদি, আশায় যদি কোন দিন বা পড়ে ত আমি পাগল হয়ে যাব। 繪 অন্নপূর্ণ নিস্তন্ধ হইয়া রহিলেন। তিনি ছোট জায়ের মনের কথাটা যে জানিতেন না, তাহা নহে, কিন্তু তাহার আশা-আকাঙ্ক্ষার এমন উগ্র প্রতিচ্ছবি কোনদিন নিজের মধ্যে এমন স্পষ্ট করিয়া উপলব্ধি করেন নাই। আজ তাহার চৈতগু হইল, কেন বিন্দু অমূল্য সম্বন্ধে এমন যক্ষের মত সজাগ, এমন প্রেতের মত সতর্ক। নিজের পুত্রের এই সৰ্ব্বমঙ্গলাকাৰিণীর মুখের দিকে চাহিয়া অনিৰ্ব্বচনীয় শ্রদ্ধার মাধুর্য্যে তাহার মাতৃহৃদয় পরিপূর্ণ হইয়া গেল। তিনি উদগত অশ্রু গোপন করিবার জন্য মুখ क्षिप्लांट्टेटणन । - ঠাকুরবি বলিলেন, তা হোক ছোটবোঁ, আজকে তোমার— । বিন্দু তাড়াতাড়ি বাধা দিয়া বলিল, ই ঠাকুরঝি; আজ দিদির মাথাটা বেঁধে দাও— এ-বাড়িতে ঢুকে পর্য্যন্ত কখন দেখিনি। বলিয়া মুখ টিপিয়া হাসিয়া চলিয়া গেল। দিন পাঁচ-ছয় পরে একদিন সকালবেল বাটীর পুরাতন নাপিতৃ যাদবের ক্ষেীরকৰ্ম্ম করিয়া উপর হইতে নামিয়া যাইতেছিল, অমূল্য আসিয়া তাহার পথ রোধ করিয়া বলিল, কৈলাসদ, নরেনদার মত চুল ছাটতে পার ? নাপিত আশ্চৰ্য্য হইয়া বলিল, সে কি-রকম দাদাবাৰু! অমূল্য নিজের মাথার নানাস্থানে নির্দেশ করিয়া বলিল, দেখ, এইখানে বার জান, এইখানে ছ আনা, এইখানে দু আনা, আর এই ঘাড়ের কাছে একেবারে ছোট ছোট। পারবে ছাটতে ? নাপিত হাসিয়া বলিল, না দাদা, ও আমার বাবা এলেও পারবে না । অমূল্য ছাড়িল না। সাহস দিয়া কহিল, এ শক্ত নয় কৈলাসদ, এইখানে বার थांनt, ७ईथोप्न इ श्रांमां নাপিত নিষ্কৃতি-লাভের উপায় করিয়া বলিল, কিন্তু আজ কি বার ? তোমার ছোটমা হুকুম না দিলে ত ছাটতে পারিনে দাদা ! অমূল্য বলিল, আচ্ছা, দাড়াও, আমি জেনে আসি। বলিয়া এক পা গিয়াই ফিরিয়া আসিয়া বলিল, আচ্ছ, তোমার ছাতিটা একবার দাও, না হলে তুমি পালিয়ে যাবে। বলিয়া জোর করিয়া সে ছাভিটা টানিয়া লইয়া ছুটিয়া চলিয়া গেল। ঝড়ের মত ঘরে ঢুকিয়া বলিল, ছোটমা শীগগির একবার এস ত । ছোটমা সবেমাত্র স্বান সারিয়া আহিকে বসিতেছিলেন, ব্যস্ত হইয়া বলিল, ওৱে স্থাপনে, জাহিক কছি: " .

  • trét