পাতা:শিক্ষাবিধায়ক প্রস্তাব.pdf/১০৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ब*****} ! 芯 臀 লোকের নিকট তfছ পাঠ করিতে গেলে একান্ত উপহাসাম্পদ হইতে হয় । ফলতঃ এই সকল নন। কারণে বাঙ্গtলtর ব্যাকরণ এপর্যন্ত জনসাধারণের নিকট অধিক সমাদৃত হয় নাই । আর র্যাহার। সংস্কৃত ব্যাকরণ জানেন, র্তণ হরিণ বাঙ্গােলণর বৈয়াকরণদিগের ‘শব্দরূপ * ংক্রিয়ারূপ’ প্রভৃতি সংস্কৃত ব্যাকরণের ভানুরুতি দর্শনে ঃ ছাতারের মৃত্য ’ মনে করিয়া, নিতান্ত অবজ্ঞ করিয়া থাকেন । কিন্তু এই সকল নানা প্রতিবন্ধক সত্ত্বেও বঙ্গবিদ্যালয় সমস্তের ছাত্রবর্গকে কিঞ্চিৎ কিঞ্চিং ৰাঙ্গালার ব্যাকরণ শিক্ষা প্রদান কর, অবশ্যক বোধ হয়। কারণ যদি ও কেবল মাত্র অমুকতি দ্বারাই বাক্য রচনা করিবার ক্ষমতা জন্মে, তথাপি সেই রচনাটী বিশুদ্ধ হইয়াছে কি না, বা করষ্ণু জ্ঞান বর্তীত তদ্বিষয়ে দৃঢ় প্রতীতি হইবার সম্ভাবনা নাই । বিশেষতঃ ব্যাকরণ জ্ঞান না থাকিলে উত্তম আর্থিকতাও হয় না, সুতরাং সাহিত্য শাস্ত্রের সম্যক অর্থ গ্রহ হইতে পারে না । আর ব্যাকরণ শিক্ষাধীন উপমিতি, অনুমিতি প্রভৃতি মুখ্য বুদ্ধি-রতি সমস্তের সুকররূপে পরিচালনা হইয়। তাহাদিগের সামর্থ বৃদ্ধি হইতে পারে। অতএব ব্যাকরণ শাস্ত্র যে শিক্ষার অতি প্রধান অঙ্গ তাহণয় সন্দেহ নাই । . কিন্তু ৰি শেয বিবেচন। করিয়া ব্যাকরণ শিক্ষা প্রদান কর অবশ্যক । শিশুদিগের কোমল মুখে কেবল নিয়মময় তা স্থিসার-সৰ্ব্বাদ-ব্যাকরণ নিক্ষেপ করুণ মিতান্তু ਾਂ