পাতা:শিখগুরু ও শিখজাতি.pdf/১২৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


দ্বাদশ অধ্যায় > o o আত্মশক্তিবলে তাহার বিরুদ্ধে দণ্ডায়মান হইবার ক্ষমতা তাহাদের নাই। রণজিতের শাসনাধীন হওয়া অপেক্ষ তাহারা ইংরাজের অনুগত্য স্বীকার শ্রেয়োজ্ঞান করিলেন । ঝিন্দের রাজা, কৈথালের সর্দার ও পাতিয়ালামহারাজের প্রতিনিধি একসঙ্গে দিল্লীনগরে গমন করিয়া ইংরাজের আশ্রয়প্রার্থী হুইলেন। ইংরাজের শিখনায়কদিগকে অভয় প্রদান করিল কিন্তু সহসা রণজিতের সহিত বিরোধে প্রবৃত্ত হইতে সাহসী হইল না । ইংরাজের এই সময়ে ফরাসীবীর নেপোলিয়নের ভয়ে ভীত হইয়া পড়িয়াছিল, অনেকের মনেই এই আতঙ্ক উপস্থিত হইয়াছিল যে, জিগীষু নেপোলিয়ন ভারতবর্ষের দিকে লোলুপনেত্ৰে চাহিয়৷ আছেন। এই নিমিত্ত ইংরাজের অবিলম্বে পরাবকেশরী রণজিৎ ও পারস্তোর সাহের সহিত সন্ধিসংস্থাপন একান্ত আবশ্যক মনে করিলেন । ইংরাজপক্ষ হইতে মেটকাফ সাহেব রণজিতের নিকট এবং এলফিনষ্টোন কাবুলদরবারে প্রেরিত হইলেন । এই সময়ে রণজিৎ কমুর নগরে অবস্থান করিতেছিলেন-- শতদ্রুর দক্ষিণতীরবর্তী শিখনায়কের ইংরাজের আশ্রয় ভিক্ষা করায় তিনি কিঞ্চিৎ চিন্তাকুল হইয়া আপনার সৈন্যবল বাড়াইয়া তুলিতে ছিলেন। ১১ই সেপ্টেম্বর তারিখে ইংরাজ-দূত তাহার নিকট উপনীত হইলেন । তীক্ষ-দ্বী রণজিৎ ইংরাজের ফরাসী-ভীতি এবং নিজের অবস্থা উভয়ই সম্যক্‌ বুঝিতেন। তিনি জানিতেন, শতদ্রুর দক্ষিণ তীরে তাহার রাজ্যবিস্তারের চেষ্টায় ইংরাজ বিরোধী হইয়াছে, এবং তঁহার রাজ্যের উত্তরসীম লইয়া আফগানদের সহিত লড়াই চলিতেছে ; অধিকন্তু তাহার ভূজবলৈ যে সকল শিখনায়ক বগুত স্বীকার করিয়াছেন তাহারাও র্তাহার অনিশ্চিত বন্ধু । এই সব