পাতা:শিখগুরু ও শিখজাতি.pdf/১৩৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


শিখগুরু ও শিখজাতি وی به ز দিন বিস্তাশিক্ষার জন্য উৎসাহিত করেন নাই ; পুস্তক পাঠ করিয়া বা কোনো গুরুর মুখ হইতে শুনিয়া তিনি কোনো বিদ্যা লাভ করেন নাই ; তথাপি স্বীয় স্বাভাবিক প্রতিভাবলে তিনি পঞ্চনদপ্রদেশে স্বাধীন শিধ-রাষ্ট্র গড়িয়া তুলিবার যোগ্যতালাভ করিয়াছিলেন। রাজোচিত গুণগ্ৰাম লইয়া তিনি যেন জন্মগ্রহণ করিয়াছিলেন বলিয়া মনে হয় । }^నీ খৃষ্টাব্দে refera fisi ( Captain Burnes) šestrs-H চতুর্থ উইলিয়মের পক্ষ হইতে উপহার ও পত্র লইয়। মহারাজ রণজিতের সহিত দেখা করিতে আসিয়াছিলেন । কাপ্তান রণজিতের সহিত আলাপ করিয়া বিস্মিত হইয়া প্রকাশ করিয়াছেন—“ভারতবর্ষের আর কোনো ভূপতি আমার মনের উপর এমন প্রভাব বিস্তার করিতে পারেন নাই ; ইনি নিরক্ষর হইয়াও যেমন উৎসাহ, তেজস্বিতা ও দক্ষতার সহিত রাঙ্গদও চালনা করিতেছেন, ভারতবর্ষের অপর কোনো ভূপতির এমন ক্ষমতা নাই ।” স্বয়ং কৃত বিদ্য না হইলেও তিনি বিদ্বানের প্রতি সমুচিত শ্রদ্ধা দেখাইতে বিরত হইতেন না । তাহার দরবারে অনেক সুপণ্ডিত ব্যক্তি স্থান পাইয়াছিলেন, তিনি তাহাদিগের নিকট হইতে নানা প্রয়োজনীয় বিষয় জানিয়া লইতেন । পণ্ডিতদিগের বাক্য গভীর অভিনিবেশ-সহকারে শুনিতেন এবং আলোচ্য বিষয়ে স্বয়ং নানারূপ প্রশ্ন করিতেন । তাহার অনন্তমুলভ অনুসন্ধিৎসাদর্শনে অনেকেই আশ্চর্যাম্বিত হইতেন । তিনি যাহার সহিত আলাপ করিয়া আনন্দ অনুভব করিতেন এবং নুতন নূতন তথ্য সংগ্রহ করিতে পারিতেন, তাহাকে প্রশ্নের পর প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করিয়া ব্যস্ত করিয়া তুলিতেন। কাপ্তান বারন্স বলেন--“র্তাহার প্রশ্নগুলি নৈশ দুঃস্বপ্নের মত মানুষকে চাপিয়া ধরিত। ভারতীয় নরপতিগণের মধ্যে র্তাহার দ্যায় জিজ্ঞাম আর কেহ নাই । তিনি আমাকে রাজ্য-রাজা