পাতা:শিখগুরু ও শিখজাতি.pdf/১৫০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পঞ্চদশ অধ্যায় ృ:చి ওদিকে আফগানরাজ সাহ সুজা নিৰ্ব্বাসিত হইয় পঞ্চনদপ্রদেশে আইসেন । তিনিও একবার মুলতান-জয়ের চেষ্টা করিয়া বিফল মনোরথ হইয়াছিলেন । তিনি এখন ঐ নিমিত্ত বীরকেশরী রণজিতের সাহায্য প্রার্থনা করেন । রণজিৎ হত-গৌরব সাহমুজার পক্ষ হইয়া যুদ্ধ করিবেন কেন ? তিনি স্বয়ং মুলতান জয় করিয়া স্বরাজ্যভূক্ত করিবার অভিলাষী হইলেন । ১৮১০ খৃষ্টাব্দের ২৪ এ ফেব্রুয়ারী তিনি নগর অবরোধ করেন, পরদিন নগর তাহার করায়ত্ত হইল কিন্তু দুর্গ শক্রদের হস্তে রহিয়া গেল । দুর্গজয়ের নিমিত্ত দীর্ঘকাল ব্যর্থ চেষ্টা চলিল, ভীষণ সংগ্রামে বহু শিথবীর জীবন ত্যাগ করিল । অবশেষে শিখ-শিবিরে খাদ্যদ্রব্যের অনাটন হওয়ায় শিখসৈন্তগণ হতোদাম হুইয়া পড়িল । রণজিৎ অত্যন্ত মনোবেদনার সস্থিত অনিচ্ছায় সসৈন্তে মুলতান ত্যাগ করিলেন । নবাব মুজফফরের যে প্রকার সন্ধিপ্রস্তাব তিনি এতকাল পুনঃ পুন: অবজ্ঞাসহকারে অগ্রাহ করিয়াছেন এবার সেইরূপ প্রস্তাবে সম্মত হইয় তাহার সহিত সন্ধি করিলেন । এবারেও রণজিৎ রিক্তহস্তে রাজধানীতে ফিরেন নাই | অনন্তহুলভ অধ্যবসায়ী রণজিং কিছুতেই ভগ্নোংসাহ হইলেন না । বাধা পাইয়া তাঙ্কার বিজয়-বাসন পূৰ্ব্বাপেক্ষাও বাড়িয়া গেল । শিখনায়কগণ সসৈন্তে মাঝে মাঝে মুলতান আক্রমণ করিতে লাগিলেন। ১৮১৮ খৃষ্টাব্দে মহারাজ রণজিৎ মুলতানজয়ের জন্য বিপুল আয়োজন করিলেন । এষারে আঠারসহস্ৰ শিথসৈন্ত যুবরাজ খঙ্গ সিংহ ও মিশ্র দেওয়ান চাদের নায়কতায় প্রেরণ করেন । শিখবাহিনী পথিমধ্যে খাগড় ও মুজাফফরগড়ের দুর্গ অধিকার করিল। ফেব্রুয়ারী মাসের প্রারম্ভে মুলতানদুর্গ অবরুদ্ধ হইল । উভয় পক্ষে ভীষণ সংগ্রাম চলিতে লুগিল। ভাঙ্গীসৈন্সের "জম জমা কামানের সাহায্যে দুই স্থান দিয়া দুর্গপ্রাচীর