পাতা:শিখগুরু ও শিখজাতি.pdf/১৮০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


উনবিংশ অধ্যায় { দ্বিতীয় শিখযুদ্ধ দুর্ভাগ্যক্রমে লাহোরগবর্ণমেণ্ট বেশিদিন ইংরাজদের সহিত হৃদ্যতা রক্ষা করিয়া চলিতে পারিলেন না । ডিসেম্বর মাসের সন্ধির লর্ভানুসারে রাজ গোলাপসিংহকে অবিলম্বে কাশ্মীর প্রদেশ ছাড়িয়া দেওয়ার কথা ছিল। লাহোরগবর্ণমেণ্ট প্রকাস্তে ইহার অন্যথাচরণ না করিলেও গোপনে ষড়যন্ত্র করিয়া বিরোধ চালাইতেছিলেন। রাণীমাতার অনুগ্রহ-ভাজন প্রধান মন্ত্রী লালসিংহ কাশ্মীরের ভূতপূৰ্ব্ব শাসনকৰ্ত্তাকে গোপনে পত্র লিথিয়া স্বীয় অধিকার অক্ষুণ্ণ রাখিবার নিমিত্ত উত্তেজিত করিতেছিলেন । অবশেষে স্যার হেনরি লরেন্স একদল শিথসৈন্য সহ কাশ্মীরে গমন করিয়া বিবাদের মীমাংসা করেন । লালসিংহের স্বাক্ষরিত পত্র লরেন্সের হাতে পড়িল । বিশ্বাসঘাতকতার অপরাধে তিনি লাহোর হইতে নিৰ্ব্বাসিত হইলেন । লালসিংহের নিৰ্ব্বাসনে রাণী কুপিত হইলেন। এদিকে শিখসর্দারদের মধ্যেও অসন্তোষ প্রকাশ পাইতে লাগিল। ইংরাজ রেসিডেন্টের প্রভূত্ব র্তাহাদের নিকট একান্ত অসহ্য হইয়া উঠিল । কার্যতঃ প্রকাশ না করিলেও প্রায় অধিকাংশ শিখ মনে মনে বিদ্রোহের ভাব পোষণ করিতেছিল । ১৮৪৮থ ষ্টাব্দের এপ্রেল মাসে মুলতানের শাসনকৰ্ত্ত মূলরাজের সহিত লাহোরগবর্ণমেণ্টের বিরোধ উপস্থিত হয় । পঞ্জাবরাজকে এক লক্ষ আশীসহস্র টাকা প্রদানে প্রতিশ্রুত হইয়া মূলরাজ শাসনকর্তৃত্ব লাভ করিয়াছিলেন, তিনি ঐ অর্থ পরিশোধ না করায়, লাহোরগবর্ণমেণ্ট তাহ শোধ করিবার জন্য বার বার অনুরোধ করেন । মূলরাজ স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করিলেন। জনৈক শিখসর্দারকে উক্তপদে প্রতিষ্ঠাপিত করিবার নিমিত্ত কুইজন ইংরাজকৰ্ম্মচারী একদল সৈন্য