পাতা:শিখগুরু ও শিখজাতি.pdf/৪৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


求さ শিখগুরু ও শিখজাতি অতঃপর আদিগ্রন্থে সন্নিবিষ্ট করা হইয়াছে। গুরুদিগের উপদেশ ভিন্ন কবীর, নামদেব, রামানন্দ, জয়দেব, মীরাবাই, সেখ ফরিদ, ত্রিলোচন প্রভৃতি নানা সম্প্রদায়ের উনিশজন প্রসিদ্ধ ভক্তের উপদেশ আদিগ্রন্থে স্থান লাভ করিয়াছে । গুরু অৰ্জুনের সঙ্কলিত আদিগ্রন্থ বেদ পুরাণের স্থান অধিকার করিল। এই সময় হইতেই অমৃতসরের মন্দিরে নিত্য পূজা প্রবর্তিত হয় । প্রত্যহ দলে দলে লোক অমৃতসরোবরে স্নান করিতে আসিত, তারযন্ত্র-যোগে সমস্ত দিন আদি গ্রন্থ হইতে শব্দগুলি গান করা হইত। তদবধি আজ পর্য্যন্ত এই প্রথা চলিয়া আসিতেছে । এতদিন গুরুর শিখদের স্বেচ্ছার প্রদত্ত উপহার পাইয়া সস্তষ্ট ছিলেন। গুরু অৰ্জ্জুন শিখদের উপর একটি কর স্থাপন করিলেন । এই ধৰ্ম্মকর আদায়ের নিমিত্ত জেলায় জেলায় কৰ্ম্মচারী নিযুক্ত হইল। গুরুর কৰ্ম্মচারীরা বৎসরান্তে এই কর তাছাকে প্রদান করিতেন । এই নিমিত্ত বর্ষশেষে অমৃতসর নগরে একটি মহাসভার অধিবেশন হইত । এইরূপে ক্রমশঃ শিখ ধৰ্ম্ম-সম্প্রদায় একটি ধৰ্ম্মরাজ্যে পরিণত হইতে চলিল। শিখেরা দলভূক্ত হইয়া নিজেদের শক্তি অনুভব করিতে আরম্ভ করিল। গুরু অর্জনের অধিনায়কতায় জাঠ কৃষকদিগের মধ্যে বাবা নানকের প্রচারিত ধৰ্ম্ম দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠা লাভ করিল। গুরু অর্জন তাহার শিষ্ণুদিগকে লাভজনক ব্যবসায় গ্রহণ করিতে উৎসাহিত করেন। এই সময়ে তাহার অনেক শিষ্য অশ্ববিক্রয়ব্যবসায় গ্রহণ করিয়াছিল। অৰ্জুন অত্যন্ত প্রতাপশালী হইয় উঠলেন। তজ্জন্ত অনেকে ঈর্ষান্বিত হইয় তাহার সহিত শত্ৰুতাচরণে প্রবৃত্ত হইল । শক্ররা